
বরগুনা জেলা প্রতিনিধি“‘বরগুনা সদর উপজেলার ৯ নং এম বালিয়াতলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহ নী গ্রামের বাসিন্দা মোঃ জামাল হোসেন মল্লিক, যিনি একসময় ইউনিয়ন যুবলীগের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন, বর্তমানে নিজেকে বিএনপির ‘ত্যাগী’ নেতা হিসেবে দাবি করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে তিনি আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন এবং ৯ নম্বর এম বালিয়াতলী ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। সংশ্লিষ্ট তালিকায় তার নাম ২৯ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে বলে জানা গেছে।
বর্তমানে তিনি নিজেকে বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লার সঙ্গে তোলা ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফেস্টুন টানিয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, তার প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষ নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। চৌমুহনী বাজারের উত্তর পাশে তার একটি স-মিল রয়েছে, যেখানে সরকারি রাস্তার ওপর বড় বড় গাছের গুঁড়ি রেখে কাঠ কাটার কাজ করা হয়। ফলে রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে এবং পথচারী ও যানবাহনের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে স-মিলটি রাস্তার বাঁকে অবস্থিত হওয়ায় এবং রাস্তার দুই পাশে গাছের গুঁড়ি রাখার কারণে যেকোনো সময় রিকশা, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত যানবাহনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে প্রভাবশালী হওয়ায় এ বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে জামাল হোসেন মল্লিকের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি রাস্তা সংরক্ষণ এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত রাস্তার ওপর ও পাশে রাখা গাছের গুঁড়ি অপসারণ করা হোক।
Reporter Name 


















