বাংলাদেশ ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টারে রাজস্ব আদায়ে অভিযান, ‘অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রে’ নতুন বিতর্ক।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪১ Time View

স্টাফ রিপোর্টার: রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক-এর মতিঝিলস্থ স্টাফ কোয়ার্টারে অবৈধ ফ্ল্যাট দখলদার উচ্ছেদ ও সরকারী রাজস্ব আদায় কার্যক্রমকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একাধিক নোটিশ জারি করে দীর্ঘদিনের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলেও,একই সঙ্গে ভেতরে ‘ষড়যন্ত্র ও অনিয়মের’ অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট এস্টেট ডিভিশনের বিরুদ্ধে।

 

ব্যাংক পক্ষের সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত ভাড়া ও রাজস্ব দীর্ঘদিন ধরে আদায় না হওয়ায় কোয়ার্টারগুলোতে অবৈধভাবে বসবাসকারী ও ভাড়াটিয়া বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য দখলদার উচ্ছেদ ও ভাড়া বাণিজ্য বন্ধ করা এবং সরকারি রাজস্ব নিশ্চিত করা।

 

তবে অভিযোগ উঠেছে, এস্টেট ডিভিশনের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা প্রিন্সিপাল অফিসার ও অথরাইজড অফিসার সুলতান মাহমুদ অবৈধ দখলদারদের সঙ্গে যোগসাজশে কাজ করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র দাবি করেছে, তিনি ব্যাংকের গোপন তথ্য বাইরে পাচার করছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র অফিসের বাইরে আদান-প্রদান হচ্ছে।

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, উচ্ছেদের নোটিশ জারির পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা দখলদারদের আশ্বাস দিচ্ছেন সুলতান মাহমুদ অস্থায়ীভাবে কোয়ার্টার ছাড়লেও পরবর্তীতে ‘ম্যানেজ’ করে পুনরায় তাদের ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানা গেছে এর জন্য আর্থিক লেনদেনের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

 

এ বিষয়ে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের (জিএম, ডিজিএম, এজিএম) নাম ব্যবহার করে প্রভাব খাটানোর চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

 

সুলতান মাহমুদ উচ্ছেদ কারীদের বলেন এমডি স্যারের বাড়ি আমাদের এলাকায় আমার সঙ্গে স্যারের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে তোমাদের একটা ব্যবস্থা আমি করতে পারবো আফাতত এপ্রিল মাসে বেরিয়ে যাও ব্যবস্থা একটা হবেই।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে শুধু রাজস্ব আদায় ব্যাহত হবে না, বরং ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকিও বাড়বে। তাই অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

 

এদিকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভ্যন্তরীণভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টারে রাজস্ব আদায়ে অভিযান, ‘অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রে’ নতুন বিতর্ক।

Update Time : ০৬:১২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক-এর মতিঝিলস্থ স্টাফ কোয়ার্টারে অবৈধ ফ্ল্যাট দখলদার উচ্ছেদ ও সরকারী রাজস্ব আদায় কার্যক্রমকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একাধিক নোটিশ জারি করে দীর্ঘদিনের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলেও,একই সঙ্গে ভেতরে ‘ষড়যন্ত্র ও অনিয়মের’ অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট এস্টেট ডিভিশনের বিরুদ্ধে।

 

ব্যাংক পক্ষের সূত্রে জানা যায়, সরকার নির্ধারিত ভাড়া ও রাজস্ব দীর্ঘদিন ধরে আদায় না হওয়ায় কোয়ার্টারগুলোতে অবৈধভাবে বসবাসকারী ও ভাড়াটিয়া বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য দখলদার উচ্ছেদ ও ভাড়া বাণিজ্য বন্ধ করা এবং সরকারি রাজস্ব নিশ্চিত করা।

 

তবে অভিযোগ উঠেছে, এস্টেট ডিভিশনের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা প্রিন্সিপাল অফিসার ও অথরাইজড অফিসার সুলতান মাহমুদ অবৈধ দখলদারদের সঙ্গে যোগসাজশে কাজ করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র দাবি করেছে, তিনি ব্যাংকের গোপন তথ্য বাইরে পাচার করছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র অফিসের বাইরে আদান-প্রদান হচ্ছে।

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, উচ্ছেদের নোটিশ জারির পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা দখলদারদের আশ্বাস দিচ্ছেন সুলতান মাহমুদ অস্থায়ীভাবে কোয়ার্টার ছাড়লেও পরবর্তীতে ‘ম্যানেজ’ করে পুনরায় তাদের ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানা গেছে এর জন্য আর্থিক লেনদেনের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

 

এ বিষয়ে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের (জিএম, ডিজিএম, এজিএম) নাম ব্যবহার করে প্রভাব খাটানোর চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

 

সুলতান মাহমুদ উচ্ছেদ কারীদের বলেন এমডি স্যারের বাড়ি আমাদের এলাকায় আমার সঙ্গে স্যারের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে তোমাদের একটা ব্যবস্থা আমি করতে পারবো আফাতত এপ্রিল মাসে বেরিয়ে যাও ব্যবস্থা একটা হবেই।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে শুধু রাজস্ব আদায় ব্যাহত হবে না, বরং ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকিও বাড়বে। তাই অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

 

এদিকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভ্যন্তরীণভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।