বাংলাদেশ ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩০ Time View

এস এম পলাশ সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টায় সদর দলিল লেখক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বিগত ইংরেজী ৩০/০৩/২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ভারতীয় নাগরিকের নিকট হইতে কৌশলে দলিল রেজিস্ট্রি করিয়া লওয়ার সময় একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অদ্য এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হইয়াছে। আমরা দলিল লেখকগণ সর্বসময় সাংবাদিকদেরকে আমরা সব সময় সম্মান ও শ্রদ্ধা করি। বিগত দিনে আপনাদের কাছ থেকে তার প্রমাণও পেয়েছি। আজকে যে, বিষয়ের জন্য আপনাদের স্মরণাপন্ন হয়েছি সেটি হলো একজন ভারতীয় নাগরিকের (মোকছেদুর

রশিদ) তথ্য গোপন করে বাংলাদেশী আইডি কার্ড ও পরবর্তীতে জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশী পাসপোর্ট তৈরী করে অবৈধ পন্থায় বাংলাদেশী সাজিয়ে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করতে যেয়ে একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনার উদ্ভব হয়। কিন্তু অতি পরিতাপের বিষয় সাংবাদিক পরিচয়ধারী একজন ব্যক্তি উক্ত ঘটনাটির নেপথ্যের কারিগর সে উক্ত মোকছুদার রশিদ এর নিকট হইতে অবৈধ ভাবে বিতর্কিত সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করিয়া লইতে সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে হাজির হইয়া সাব রেজিস্ট্রার মহোদয়ের

নিকট একটি সাধারণ “পাওয়ার অব এ্যাটনী” দলিল দাখিল করিলে সাব রেজিস্ট্রার মহোদয় উক্ত ভারতীয় নাগরিক মোকছুদার রশিদ এর নিকট হইতে দলিলের স্টেটমেন্ট নেওয়ার সময় কতিপয় অচেনা ব্যক্তি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রবেশ করিয়া উক্ত সাব রেজিস্ট্রার মহোদয়ের নিকট উক্ত মোকছুদার রশিদ এবং কথিত সাংবাদিক জুলফিকার আলী জিন্নাহ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

 

 

উক্ত অভিযোগের অনুকূলে সাব রেজিস্ট্রার মহোদয় তথ্য প্রমানাদি চাহিলে অভিযোগকারীগণ তাহাদের বিরুদ্ধে মৌখিক ও দালিলিক প্রমাণ প্রদান করিলে সাব রেজিস্ট্রার মহোদয় দলিলটি রেজিস্ট্রি না করিয়া তাহার জিম্মায় রাখেন। ঠিক সেই সময়ে উক্ত দলিলের গ্রহীতা জুলফিকার আলী জিন্নাহ উত্তেজিত হয়ে ছাত্রলীগ নেতা সুমন আনোয়ারসহ পনের থেকে বিশ জন সন্ত্রাসীর দল নিয়ে উপস্থিত হয়ে অভিযোগকারী ও সেখানে থাকা দলিল লেখকগণকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হঠাৎ আক্রমণ করেন। তাহাদের হামলায় দলিল লেখক সমিতির সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ অনেকেই আহত হন। হামলার পর পরই জুলফিকার আলী জিন্নাহ তাহার দলবলসহ দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন এবং সে সময় উপস্থিত লেখকগণ ও সাধারণ জনগণ উক্ত দ্বৈত নাগরিককে আটক করিয়া পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে উক্ত দ্বৈত নাগরিক মোকছুদার রশিদ রাষ্ট্রপক্ষের মামলায় জেল হাজতে রহিয়াছেন। পক্ষান্তরে সাংবাদিক নামধারী জিন্নাহ এক প্রকার দস্যুতার রাজত্ব কায়েম করে এবং ব্যক্তি জিন্নাহ একজন দ্বৈত নাগরিকের নিকট হইতে তাহার নিজ নামে অবৈধ ভাবে প্রভাব খাটিয়ে একটি দলিল রেজিস্ট্রি করিতে আসেন। সেখানে তাহার পেশা দেখানো হয় জমিজমা, সাংবাদিক নহে। আমাদের প্রশ্ন, অবৈধ সম্পদ রেজিস্ট্রি করার জন্য জিন্নাহ সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রবেশ করেছে, সে এখানে সাংবাদিকতা করতে আসেনি। অথচ সাংবাদিকের উপর হামলার নামে

মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুল বুঝিয়ে সংবাদ পরিবেশন করছে। তাহলে ব্যক্তি জিন্নাহ ও সাংবাদিক জিন্নাহ একই বিষয়? আপনাদের কাছে প্রশ্ন রাখলাম। অপর দিকে উক্ত দলিলের গ্রহীতা জুলফিকার আলী জিন্নাহ, দাতা উক্ত দ্বৈত নাগরিক মোকছুদার

রশিদ এবং মোসাবিদাকারক এ্যাডঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম খোকন।

 

 

এখানে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহবুবউল্লাহ উক্ত দলিল সম্পর্কিত কোন বিষয়ে সম্পৃক্ত না থাকা স্বত্ত্বেও উক্ত জিন্নাহ সাংবাদিকতার প্রভাব খাটিয়ে দলিল লেখক শেখ মাহবুবউল্লাহসহ আরও অনেকের নামে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত মামলায় সে উল্লেখ করেন তার কাছে থাকা নগদ ৫,০০,০০০/- টাকা ১নং আসামি সৈয়দ রেজাউল হোসেন টুটুল এবং ৩নং আসামি দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহাবুব উল্লাহ তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। কিন্তু প্রকৃত বিষয় “সাধারণ পাওয়ার অব এ্যাটর্নী” দলিল হস্তান্তর করবার জন্য কোন অর্থ লেনদেনের প্রয়োজন হয় না। আপনারা দলিলটি পড়িলে তাহা বুঝিতে পারিবেন। আমাদের প্রশ্ন, শেখ মাহবুবউল্লাহ কোন কারণে আসামী? এবং সাতক্ষীরা দলিল লেখক সমিতিকে কেন তারা সিন্ডিকেট হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন? এদিকে উক্ত জিন্নাহ অবৈধ কাজ সিদ্ধ করবার জন্য কতিপয় স্বনাম ধন্য সাংবাদিকবৃন্দকে ভুল বুঝিয়ে প্রতিপক্ষ হিসাবে দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে দাড় করিয়ে ফায়দা লুটতে চায় এবং গত ০৫/০৪/২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট চত্বরে সাংবাদিকদের ব্যানারে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সাংবাদিক জিন্নাহ এর উপর হামলার বিচার ও দলিল লেখক ও প্রশাসনের কিছু কর্তা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষোধাগার করা হয়। আমরা পুলিশ প্রশাসনসহ সকলের বিরুদ্ধে যাহারা মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে তাহাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। সাতক্ষীরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্ট্রারসহ দলিল লেখক সমিতিকে তাহারা একটি সিন্ডিকেট হিসাবে আখ্যায়িত করিয়াছেন। আমরা আপনাদের মাধ্যমে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা মনে করি, সাংবাদিক পরিচয়বহনকারী ব্যক্তি জুলফিকার আলী জিন্নাহ কিছু সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দাড় করিয়েছেন। প্রকৃত পক্ষে সাংবাদিক বন্ধুরা যদি প্রকৃত ঘটনা জানতেন, তাহলে তাহারা তার পক্ষ অবলম্বন করতেন না। এটা আমাদের বিশ্বাস। আপনাদের মাধ্যমে আরও বলতে চাই। একজন মামলার আসামী জামিন না নিয়ে স্বয়ং উপস্থিত থেকে মানববন্ধন কর্মসূচীতে কি ভাবে অংশ গ্রহণ করেন এটা আমাদের বোধগম্য নহে। আমরা অদ্যকার এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওসি সদর থানাকে উক্ত এজাহার নামীয় আসামী জিন্নাহকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবী জানাই। এমতাবস্থায় সকল সাংবাদিক বন্ধুদের কাছে আমাদের দাবী আপনারা ঘটনাটি সঠিক ভাবে অনুসন্ধান পূর্বক বাস্তব চিত্র অবগত হন। আমরা সকল সাংবাদিককে শ্রদ্ধা করি এবং তাহাদের পেশাকে সম্মান করি। আমরা আপনাদের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন পূর্বক প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহাবুবউল্লাহ এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন এর সহেযাগীতা কামনা করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৩:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

এস এম পলাশ সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টায় সদর দলিল লেখক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বিগত ইংরেজী ৩০/০৩/২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ভারতীয় নাগরিকের নিকট হইতে কৌশলে দলিল রেজিস্ট্রি করিয়া লওয়ার সময় একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অদ্য এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হইয়াছে। আমরা দলিল লেখকগণ সর্বসময় সাংবাদিকদেরকে আমরা সব সময় সম্মান ও শ্রদ্ধা করি। বিগত দিনে আপনাদের কাছ থেকে তার প্রমাণও পেয়েছি। আজকে যে, বিষয়ের জন্য আপনাদের স্মরণাপন্ন হয়েছি সেটি হলো একজন ভারতীয় নাগরিকের (মোকছেদুর

রশিদ) তথ্য গোপন করে বাংলাদেশী আইডি কার্ড ও পরবর্তীতে জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশী পাসপোর্ট তৈরী করে অবৈধ পন্থায় বাংলাদেশী সাজিয়ে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করতে যেয়ে একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনার উদ্ভব হয়। কিন্তু অতি পরিতাপের বিষয় সাংবাদিক পরিচয়ধারী একজন ব্যক্তি উক্ত ঘটনাটির নেপথ্যের কারিগর সে উক্ত মোকছুদার রশিদ এর নিকট হইতে অবৈধ ভাবে বিতর্কিত সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করিয়া লইতে সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে হাজির হইয়া সাব রেজিস্ট্রার মহোদয়ের

নিকট একটি সাধারণ “পাওয়ার অব এ্যাটনী” দলিল দাখিল করিলে সাব রেজিস্ট্রার মহোদয় উক্ত ভারতীয় নাগরিক মোকছুদার রশিদ এর নিকট হইতে দলিলের স্টেটমেন্ট নেওয়ার সময় কতিপয় অচেনা ব্যক্তি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রবেশ করিয়া উক্ত সাব রেজিস্ট্রার মহোদয়ের নিকট উক্ত মোকছুদার রশিদ এবং কথিত সাংবাদিক জুলফিকার আলী জিন্নাহ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

 

 

উক্ত অভিযোগের অনুকূলে সাব রেজিস্ট্রার মহোদয় তথ্য প্রমানাদি চাহিলে অভিযোগকারীগণ তাহাদের বিরুদ্ধে মৌখিক ও দালিলিক প্রমাণ প্রদান করিলে সাব রেজিস্ট্রার মহোদয় দলিলটি রেজিস্ট্রি না করিয়া তাহার জিম্মায় রাখেন। ঠিক সেই সময়ে উক্ত দলিলের গ্রহীতা জুলফিকার আলী জিন্নাহ উত্তেজিত হয়ে ছাত্রলীগ নেতা সুমন আনোয়ারসহ পনের থেকে বিশ জন সন্ত্রাসীর দল নিয়ে উপস্থিত হয়ে অভিযোগকারী ও সেখানে থাকা দলিল লেখকগণকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হঠাৎ আক্রমণ করেন। তাহাদের হামলায় দলিল লেখক সমিতির সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ অনেকেই আহত হন। হামলার পর পরই জুলফিকার আলী জিন্নাহ তাহার দলবলসহ দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন এবং সে সময় উপস্থিত লেখকগণ ও সাধারণ জনগণ উক্ত দ্বৈত নাগরিককে আটক করিয়া পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে উক্ত দ্বৈত নাগরিক মোকছুদার রশিদ রাষ্ট্রপক্ষের মামলায় জেল হাজতে রহিয়াছেন। পক্ষান্তরে সাংবাদিক নামধারী জিন্নাহ এক প্রকার দস্যুতার রাজত্ব কায়েম করে এবং ব্যক্তি জিন্নাহ একজন দ্বৈত নাগরিকের নিকট হইতে তাহার নিজ নামে অবৈধ ভাবে প্রভাব খাটিয়ে একটি দলিল রেজিস্ট্রি করিতে আসেন। সেখানে তাহার পেশা দেখানো হয় জমিজমা, সাংবাদিক নহে। আমাদের প্রশ্ন, অবৈধ সম্পদ রেজিস্ট্রি করার জন্য জিন্নাহ সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রবেশ করেছে, সে এখানে সাংবাদিকতা করতে আসেনি। অথচ সাংবাদিকের উপর হামলার নামে

মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভুল বুঝিয়ে সংবাদ পরিবেশন করছে। তাহলে ব্যক্তি জিন্নাহ ও সাংবাদিক জিন্নাহ একই বিষয়? আপনাদের কাছে প্রশ্ন রাখলাম। অপর দিকে উক্ত দলিলের গ্রহীতা জুলফিকার আলী জিন্নাহ, দাতা উক্ত দ্বৈত নাগরিক মোকছুদার

রশিদ এবং মোসাবিদাকারক এ্যাডঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম খোকন।

 

 

এখানে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহবুবউল্লাহ উক্ত দলিল সম্পর্কিত কোন বিষয়ে সম্পৃক্ত না থাকা স্বত্ত্বেও উক্ত জিন্নাহ সাংবাদিকতার প্রভাব খাটিয়ে দলিল লেখক শেখ মাহবুবউল্লাহসহ আরও অনেকের নামে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত মামলায় সে উল্লেখ করেন তার কাছে থাকা নগদ ৫,০০,০০০/- টাকা ১নং আসামি সৈয়দ রেজাউল হোসেন টুটুল এবং ৩নং আসামি দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহাবুব উল্লাহ তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। কিন্তু প্রকৃত বিষয় “সাধারণ পাওয়ার অব এ্যাটর্নী” দলিল হস্তান্তর করবার জন্য কোন অর্থ লেনদেনের প্রয়োজন হয় না। আপনারা দলিলটি পড়িলে তাহা বুঝিতে পারিবেন। আমাদের প্রশ্ন, শেখ মাহবুবউল্লাহ কোন কারণে আসামী? এবং সাতক্ষীরা দলিল লেখক সমিতিকে কেন তারা সিন্ডিকেট হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন? এদিকে উক্ত জিন্নাহ অবৈধ কাজ সিদ্ধ করবার জন্য কতিপয় স্বনাম ধন্য সাংবাদিকবৃন্দকে ভুল বুঝিয়ে প্রতিপক্ষ হিসাবে দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে দাড় করিয়ে ফায়দা লুটতে চায় এবং গত ০৫/০৪/২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট চত্বরে সাংবাদিকদের ব্যানারে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সাংবাদিক জিন্নাহ এর উপর হামলার বিচার ও দলিল লেখক ও প্রশাসনের কিছু কর্তা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষোধাগার করা হয়। আমরা পুলিশ প্রশাসনসহ সকলের বিরুদ্ধে যাহারা মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে তাহাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। সাতক্ষীরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্ট্রারসহ দলিল লেখক সমিতিকে তাহারা একটি সিন্ডিকেট হিসাবে আখ্যায়িত করিয়াছেন। আমরা আপনাদের মাধ্যমে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা মনে করি, সাংবাদিক পরিচয়বহনকারী ব্যক্তি জুলফিকার আলী জিন্নাহ কিছু সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দাড় করিয়েছেন। প্রকৃত পক্ষে সাংবাদিক বন্ধুরা যদি প্রকৃত ঘটনা জানতেন, তাহলে তাহারা তার পক্ষ অবলম্বন করতেন না। এটা আমাদের বিশ্বাস। আপনাদের মাধ্যমে আরও বলতে চাই। একজন মামলার আসামী জামিন না নিয়ে স্বয়ং উপস্থিত থেকে মানববন্ধন কর্মসূচীতে কি ভাবে অংশ গ্রহণ করেন এটা আমাদের বোধগম্য নহে। আমরা অদ্যকার এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওসি সদর থানাকে উক্ত এজাহার নামীয় আসামী জিন্নাহকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবী জানাই। এমতাবস্থায় সকল সাংবাদিক বন্ধুদের কাছে আমাদের দাবী আপনারা ঘটনাটি সঠিক ভাবে অনুসন্ধান পূর্বক বাস্তব চিত্র অবগত হন। আমরা সকল সাংবাদিককে শ্রদ্ধা করি এবং তাহাদের পেশাকে সম্মান করি। আমরা আপনাদের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন পূর্বক প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহাবুবউল্লাহ এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন এর সহেযাগীতা কামনা করছি।