
সবই মিষ্টিমুখের জোর!!
নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব নিয়ে কোন কিছু লেখার ইচ্ছে নেই ! তবুও দুটি কথা সংক্ষিপ্ত আকারে বলতে হয়। আমাদের ফোরামে সবাইকে বলেছি, বুঝতে পারছি কেউ বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তবুও বলছি একটু মনের শান্তনা ও সচেতন মহলের অবগতির জন্য ফেসবুকই মনের ভাব প্রকাশ করলাম । লেখাটি ইচ্ছে করেই আমি লম্বা করবো না। শুধু সারাংশটি বলবো। নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর অনেকেই সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হয়েছেন। কেউ নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের স্থায়ী ভবন করতে পারেননি। ২০২৪ সালে যখন আমি এম.এ আহমদ আজাদ সভাপতি ও সেলিম তালুকদার সাধারন সম্পাদক হই। আমরা দুইজন আপ্রান চেষ্টা করে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের জায়গা সিলেকশন ও স্থায়ী ভবন নির্মান করি। এরপর ভবনের সব ধরনের ডেকোরেশন করি। ফার্নিচারের মধ্যে একটি কনফারেন্স টেবিল, ৩০টি চেয়ার, সভাপতি ও সম্পাদকের রুমের জন্য আলাদা দুটি টেবিল, দুটি উন্নত মানের চেয়ার ও প্লাস্টিকের চেয়ার ব্যবস্থা করি । নিউজ লেখার জন্য কম্পিউটার, সব সাংবাদিকদের ট্রেনিংসহ উন্নত ব্যাগ প্রদান করি। সব সাংবাদিককে প্রেসক্লাবের লগোসহ ব্লেজার( কোর্ট) প্রদান করি, সবাইকে দুই দফায় টি শার্ট প্রদান করি,রমজান মাসে নতুন বছরে ক্যালেন্ডার ছাপানো ও বিতরণ করা হয়। বন ভোজন করেছি জাকজমক পূর্ন ভাবে। গুনিজনকে সম্মানণা ক্রেষ্ট ও সংবর্ধনা দিয়েছি। ২০২৪ সালে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের গঠন তন্ত্র দ্বিতীয় সংস্করণ ছাপা হয়। ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পর আমরা প্রথম নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের ১১জন নতুন সদস্যকে সংযুক্ত করি গোপন ভোটের মাধ্যমে।
প্রেসক্লাব ভবন নির্মানে আমি ব্যক্তিগত ভাবে সাংবাদিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ অনুদান ৪০ হাজার টাকা ও সাধারন সম্পাদক ২০ হাজার টাকা প্রদান করেন । প্রেসক্লাবে আমাদের চেয়ে আরও অনেক ধনী রয়েছেন। বিশেষ স্বরণিকা ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছি, যাতে দেশের সেরা সাংবাদিক ও সম্পাদকরা লেখা দিয়েছেন। আরও অনেক ছোট ছোট কাজ করেছি সে গুলো না বললাম। কিন্তু আমরা যখন ২০২৫ সালের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদককে দায়িত্ব হস্তান্তর করি, এরপর আর কোন দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। যাক ২০২৫ সালের কমিটি মেয়াদ শেষের দিকে আমাদের প্রেসক্লাবের সব সদস্যকে একটি করে ব্লেজার প্রদান করেছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমি একজন সফল সভাপতি দাবি করি না, কিন্তু কাজের মুল্যায়ন আশা করে ছিলাম, কিন্তু ২০২৫ সালের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে ৩মাস পেরিয়ে ৪ মাসে আগমন হয়েছে। এখনও আমি আমার ব্লেজারটি পায়নি, আর প্রেসক্লাবের উন্নয়ন নিয়ে কি বলবো, সবই মিষ্টিমুখের জোর।
Reporter Name 


















