
স্টাফ রিপোর্টার: বর্তমান নবনির্বাচিত সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য উদ্দেশ্য দুর্নীতিমুক্ত চাঁদাবাজ মুক্ত দেশ হবে সবার আগে বাংলাদেশ এই শ্লোগানে দেশের উন্নয়নে অগ্রগতি চলবে চলছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন দুর্নীতিবাজ চাঁদাবাজ যেই হোক না কোন ছাড় দেওয়া হবে না।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক এর মতিঝিলস্থ স্টাফ কোয়ার্টারে যেন এক অদৃশ্য সিন্ডিকেটের দাপট। সরকারি নিয়ম-নীতিকে প্রকাশ্যে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে “জুয়েল” নামে এক ব্যক্তি নিয়মিত সাব-কন্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ বাগিয়ে নিচ্ছেন যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিস্ফোরক প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।
প্রশ্ন একটাই-এই জুয়েল কে?
তার খুঁটির জোর কোথায়? কোন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় বারবার একই ব্যক্তি কাজ পেয়ে যাচ্ছে?
সূত্র বলছে, টেন্ডার প্রক্রিয়া এখানে কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে চলছে ‘নিজের লোককে কাজ দেওয়ার’সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টারে D-2/3, A-2/7, A-2/9 এবং C-1/3 নম্বর বিল্ডিংয়ে সংস্কার কাজ চলছে,তা উন্নয়ন নয় স্পষ্ট অনিয়ম।
জুয়েলের দাড়ি ও টুপি দেখে মনে হয় বাইতুল মোকাররম জামে মসজিদের খতিব, না হয় কোন এক মাওলানা, লেবাসধারী তোর কাজের মান নিম্ন মানের।
অভিযোগ রয়েছে, নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করে কাজের নামে চলছে প্রহসন। লক্ষ লক্ষ টাকার কাজ করা হচ্ছে যেন তামাশা করে! কাজের মান এতটাই নিম্ন যে,যেসব কাজ করে তা তিন মাসে ও টেকসই হয় না । নয় ছয় করে হাতিয়ে নিচ্ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা।
সবচেয়ে বিষয় এই জুয়েল কীভাবে বারবার কাজ পায়? সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা নিয়েও উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন। তারা কি অযোগ্যদের প্রশ্রয় দিচ্ছেন, নাকি এর পেছনে রয়েছে মোটা অঙ্কের লেনদেন?
একাধিক লাইসেন্সধারী ঠিকাদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা নিয়ম মেনে আবেদন করি, কিন্তু কাজ পাই না। আর এক ব্যক্তি বারবার কাজ পায় এটা কি স্রেফ কাকতালীয়? না কি বড় কোনো সিন্ডিকেট কাজ করছে?”
আরও অভিযোগ সাব কন্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ পেতে হলে নির্দিষ্টভাবে এনলিস্টেড হওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, জুয়েল সেই নিয়ম মানছেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। অথচ তিনি নির্বিঘ্নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, যেন পুরো প্রকল্পই তার একার নিয়ন্ত্রণে!
এ রাষ্ট্রের সম্পদ লুটপাটের এক নীরব মহোৎসব! দেশের গর্ব সোনালী ব্যাংক এর মতো প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম শুধু উদ্বেগজনক নয় লজ্জাজনকও বটে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে, এই অনিয়মের আগুন আরও ছড়িয়ে পড়বে এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।
শেষ কথা:
এখন সময় এসেছে মুখোশ উন্মোচনের। কে এই জুয়েল? কার ছত্রছায়ায় চলছে তার দৌরাত্ম্য? তার জবাব দেশবাসী জানতে চায়। নইলে “দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ” কেবল স্লোগান হয়েই থেকে যাবে!
Reporter Name 


















