বাংলাদেশ ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদা মনের মানুষ আশরাফ উদ্দীন নবীগঞ্জবাসীর প্রত্যাশার প্রতীক

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২ Time View

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ একজন সাদা মনের মানুষ, নিরহংকারী ও সদাহাস্যোজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব যেভাবেই বিশ্লেষণ করা হোক না কেন, সবকিছুকে ছাপিয়ে তিনি একজন সত্যিকারের মানবিক মানুষ। নবীগঞ্জ তথা বৃহত্তর হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রোটারিয়ান শ্রদ্ধাভাজন জনাব আশরাফ উদ্দীন একাধারে একজন শিল্পপতি, সাংবাদিক, গীতিকার এবং বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ব্যক্তিত্ব।

শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে সুপরিচিত এই মানুষটি তাঁর মহৎ কর্ম ও সমাজসেবার মাধ্যমে জন্মস্থান নবীগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি কোনো জনপ্রতিনিধি না হয়েও বিলেতের বিলাসবহুল জীবন ত্যাগ করে দেশ, মাটি ও মানুষের টানে বারবার ফিরে আসেন স্বদেশে। সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখে মানবসেবায় তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের লক্ষ্যে তিনি সময় দেন, অর্থ ব্যয় করেন এবং স্বপ্ন দেখেন একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার। তাঁর লক্ষ্য আগামীর সম্ভাবনাময়, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে নবীগঞ্জ উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তর করা।

একজন সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, “শুরু থেকেই তাঁর গুণের কথা শুনে বড় হয়েছি। জনপ্রতিনিধি না হয়েও তিনি উপজেলার অবহেলিত জনপদের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, শিক্ষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।”

এছাড়া জেলা ও উপজেলার সাংবাদিক, শিল্পী-কলাকুশলী, কবি-সাহিত্যিক, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তিনি নিজ পৃষ্ঠপোষকতায় নবীগঞ্জকে সমৃদ্ধ করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি নিজেও অসংখ্য গান ও কবিতা রচনা করেছেন। বাংলাদেশ বেতার ও বিটিভির ওভারসিজ প্রতিনিধি হিসেবেও দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর লেখা গান ও কবিতায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি, ঋতুবৈচিত্র্য, মানুষের জীবন-জীবিকা এবং বিশেষভাবে অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের কথা ফুটে উঠেছে।

“সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই” এই চেতনায় বিশ্বাসী আশরাফ উদ্দীন মানবতার সেবাকেই জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি মনে করেন, মানুষ হয়ে জন্মানোর সার্থকতা সেখানেই, যেখানে মানুষ নিজের জন্য নয়, বরং সকলের জন্য বাঁচে।

নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে অন্যের মুখে হাসি ফোটাতেই তিনি তৃপ্তি খুঁজে পান। সত্যিকার অর্থে তিনি একজন মানবতার ফেরিওয়ালা নবীগঞ্জবাসীর প্রিয় মুখ আশরাফ উদ্দীন।

এখন প্রশ্ন উঠেছে এই সাদা মনের মানুষটিকে কি আগামী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় নবীগঞ্জবাসী? স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, তাঁর সততা, মানবিকতা ও উন্নয়নমুখী চিন্তাধারা তাকে এ পদে দেখার জন্য যথেষ্ট যোগ্য করে তুলেছে।

সর্বোপরি, আশরাফ উদ্দীনের মতো একজন মানবিক ও দূরদর্শী মানুষকে আগামীর নেতৃত্বে দেখতে চাওয়াটা এখন নবীগঞ্জবাসীর প্রত্যাশায় পরিণত হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

সাদা মনের মানুষ আশরাফ উদ্দীন নবীগঞ্জবাসীর প্রত্যাশার প্রতীক

Update Time : ১০:৫৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

ষ্টাফ রিপোর্টারঃ একজন সাদা মনের মানুষ, নিরহংকারী ও সদাহাস্যোজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব যেভাবেই বিশ্লেষণ করা হোক না কেন, সবকিছুকে ছাপিয়ে তিনি একজন সত্যিকারের মানবিক মানুষ। নবীগঞ্জ তথা বৃহত্তর হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রোটারিয়ান শ্রদ্ধাভাজন জনাব আশরাফ উদ্দীন একাধারে একজন শিল্পপতি, সাংবাদিক, গীতিকার এবং বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ব্যক্তিত্ব।

শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে সুপরিচিত এই মানুষটি তাঁর মহৎ কর্ম ও সমাজসেবার মাধ্যমে জন্মস্থান নবীগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি কোনো জনপ্রতিনিধি না হয়েও বিলেতের বিলাসবহুল জীবন ত্যাগ করে দেশ, মাটি ও মানুষের টানে বারবার ফিরে আসেন স্বদেশে। সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখে মানবসেবায় তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের লক্ষ্যে তিনি সময় দেন, অর্থ ব্যয় করেন এবং স্বপ্ন দেখেন একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার। তাঁর লক্ষ্য আগামীর সম্ভাবনাময়, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে নবীগঞ্জ উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তর করা।

একজন সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, “শুরু থেকেই তাঁর গুণের কথা শুনে বড় হয়েছি। জনপ্রতিনিধি না হয়েও তিনি উপজেলার অবহেলিত জনপদের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, শিক্ষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।”

এছাড়া জেলা ও উপজেলার সাংবাদিক, শিল্পী-কলাকুশলী, কবি-সাহিত্যিক, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তিনি নিজ পৃষ্ঠপোষকতায় নবীগঞ্জকে সমৃদ্ধ করার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি নিজেও অসংখ্য গান ও কবিতা রচনা করেছেন। বাংলাদেশ বেতার ও বিটিভির ওভারসিজ প্রতিনিধি হিসেবেও দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর লেখা গান ও কবিতায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি, ঋতুবৈচিত্র্য, মানুষের জীবন-জীবিকা এবং বিশেষভাবে অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের কথা ফুটে উঠেছে।

“সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই” এই চেতনায় বিশ্বাসী আশরাফ উদ্দীন মানবতার সেবাকেই জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি মনে করেন, মানুষ হয়ে জন্মানোর সার্থকতা সেখানেই, যেখানে মানুষ নিজের জন্য নয়, বরং সকলের জন্য বাঁচে।

নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে অন্যের মুখে হাসি ফোটাতেই তিনি তৃপ্তি খুঁজে পান। সত্যিকার অর্থে তিনি একজন মানবতার ফেরিওয়ালা নবীগঞ্জবাসীর প্রিয় মুখ আশরাফ উদ্দীন।

এখন প্রশ্ন উঠেছে এই সাদা মনের মানুষটিকে কি আগামী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় নবীগঞ্জবাসী? স্থানীয়দের অনেকেই মনে করছেন, তাঁর সততা, মানবিকতা ও উন্নয়নমুখী চিন্তাধারা তাকে এ পদে দেখার জন্য যথেষ্ট যোগ্য করে তুলেছে।

সর্বোপরি, আশরাফ উদ্দীনের মতো একজন মানবিক ও দূরদর্শী মানুষকে আগামীর নেতৃত্বে দেখতে চাওয়াটা এখন নবীগঞ্জবাসীর প্রত্যাশায় পরিণত হয়েছে।