
হারুন অর রশিদ,স্টাফ রিপোর্টার : জরুরি সেবার তালিকায় পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কিংবা পল্লী বিদ্যুৎ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি পেলেও চরম অবহেলার শিকার হচ্ছেন মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকরা।
পেশাগত দায়িত্ব পালনে জরুরি প্রয়োজনে বের হতে গিয়ে জ্বালানি তেলের জন্য ২০০-২৫০টি গাড়ির দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের। এতে করে সঠিক সময়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংবাদ সংগ্রহ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
বাস্তব চিত্র ও ভোগান্তি
বর্তমানে গোবিন্দগঞ্জের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল নিয়ে কোনো জরুরি সংবাদ সংগ্রহে বের হলে একজন সংবাদকর্মীকে সাধারণ গ্রাহকদের মতো একই লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় শুধু লাইনে দাঁড়িয়েই ব্যয় হচ্ছে, যা সংবাদ সংগ্রহের জন্য বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।
পেশাগত প্রতিবন্ধকতা
সাংবাদিকদের ‘জাতির বিবেক’ এবং রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। অগ্নিকাণ্ড, দুর্ঘটনা কিংবা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সংবাদ দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া তাদের দায়িত্ব। কিন্তু জ্বালানি সংগ্রহের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত পেরিয়ে যাচ্ছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে সময়োপযোগী ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন।
সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান
স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মতে, সংবাদ সংগ্রহও একটি গুরুত্বপূর্ণ জরুরি সেবা। তাই পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিসের মতো সাংবাদিকদের জন্যও জ্বালানি সরবরাহে বিশেষ ব্যবস্থা বা অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন গোবিন্দগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ।
তাদের দাবি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে সঠিক সময়ে তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।
Reporter Name 


















