
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।। একটি জমি বৈধভাবে ক্রয় করি। জমিটির মালিকানা চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে সেখানে একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। এবং উক্ত জমিতে মাটি ভরাট করা হয় হয়েছে।
কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় ব্যক্তি আহমদ আবুল কালাম তার ভাই ও সহযোগীদের নিয়ে উক্ত জমিতে এসে বেআইনিভাবে স্থাপিত সাইনবোর্ডটি ভাঙচুর করেন এবং জমিটি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করেন। যাহা আমার জমির কাগজ সম্পূর্ণ বৈধ এই ভূমি দস্যুরা আমাদের পরিবারসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাণনাশের হুমকি ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
এছাড়াও অভিযুক্ত ব্যক্তি আহমদ আবুল কালাম গংরা তার সহযোগীরা ভবিষ্যতে জমিটি দখল করার হুমকি প্রদান করছেন, যার ফলে প্রবাসী সাহেদা খাতুন এবং তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে আছি। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এবং উক্ত জমি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
যদি আমাদের পরিবারের কোন প্রকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে আহমদ আবুল কালাম সম্পূর্ণ দায়দপ্তর বহন করিবেন । কারণ সে নিজেই বিভিন্ন ভাবে আমাদেরকে প্রাণ নাসের হুমকি দিচ্ছেন। বিষয় টি তদন্ত করে রহস্য জনক কারণে প্রতিবেদন দিচ্ছে না তদন্তকারী কর্মকর্তা।
স্থানীয় একটি প্রতার চক্র পরিকল্পিতভাবে তাকে হয়রানি করছে এবং তার জমির ওপর জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। উক্ত জমির সাইনবোর্ডটি রাতের অন্ধকারে নিয়ে যায়।
জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের দীঘিরপাড় গ্রামের মৃত তোয়াজ উল্লাহর সন্তানরা পারিবারিক সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারার পর তাদের অংশের জমি বিক্রি করেন। পরে তারা জগন্নাথপুর উপজেলার খানপুর মৌজার ৫৮৪৬ নম্বর দাগের ০.২০৪১ শতক জমি রেজিস্ট্রি দলিল নং–১৬১৪/২০১৭, ১৭০৭/২০২২ ও ১০৬০/২০২৩ এর মাধ্যমে লন্ডন প্রবাসী সাহেদা খাতুনের কাছে বিক্রি করে দখল বুঝিয়ে দেন।পরবর্তীতে সাহেদা খাতুন ওই জমিতে মাটি ভরাট করে বাউন্ডারি নির্মাণের কাজ শুরু করলে মৃত তোয়াজ উল্লাহর অপর সন্তান আহমদ আবুল কালামসহ কয়েকজন এতে বাধা দেন বলে অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীর দাবি, তারা অবৈধভাবে জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
প্রবাসী সাহেদা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, “আমি বৈধভাবে জমি ক্রয় করেছি। কিন্তু বারবার সন্ত্রাসী হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি ভূমিদস্যু আহমদ আবুল কালাম আমার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছেন।”
এদিকে জমি বিক্রয়কারী পরিবারের সদস্য আব্দুস সালাম, আলেক উদ্দিন, দিলাছ উদ্দিন ও ঝর্ণা বেগম জানান, তাদের পিতা মারা যাওয়ার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে পারিবারিক সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়। পরে তারা নিজেদের অংশের জমি বৈধভাবে সাহেদা খাতুনের কাছে বিক্রি করেছেন এবং এতে অন্য কোনো ভাই-বোনের অংশ বিক্রি করা হয়নি।
তাদের অভিযোগ, সম্পত্তি ভাগ হওয়ার পরও আহমদ আবুল কালামসহ কয়েকজন অযৌক্তিকভাবে প্রবাসী সাহেদা খাতুনের কাজে বাধা দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখনো কার্যকর কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Reporter Name 


















