বাংলাদেশ ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লা তিতাস বাতাকান্দি তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:১৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬২ Time View

প্রতিবেদন মোঃ ওয়াসিম। তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন কুমিল্লা তিতাস বাতাকান্দি লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন কুমিল্লা তিতাস বাতাকান্দি

বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজকর্ম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফ্যান, পানি সরবরাহ, মোবাইল চার্জ—সব ক্ষেত্রেই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।

 

এদিকে, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বলছেন, দিনে গরমের কারণে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে কিছুটা স্বস্তিতে পড়তে বসলে শুরু হয় লোডশেডিং, ফলে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।

 

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংকটে তাদের উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। গ্রাহকরাও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। অনেকেই জেনারেটর ব্যবহার করতে চাইলেও জ্বালানি সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।

পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় সিরিয়াল আসার আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে, ফলে জেনারেটর চালু রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, এভাবে লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় আরও বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

কুমিল্লা তিতাস বাতাকান্দি তীব্র লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন।

Update Time : ০৪:১৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

প্রতিবেদন মোঃ ওয়াসিম। তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন কুমিল্লা তিতাস বাতাকান্দি লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন কুমিল্লা তিতাস বাতাকান্দি

বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজকর্ম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ফ্যান, পানি সরবরাহ, মোবাইল চার্জ—সব ক্ষেত্রেই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।

 

এদিকে, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বলছেন, দিনে গরমের কারণে পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে কিছুটা স্বস্তিতে পড়তে বসলে শুরু হয় লোডশেডিং, ফলে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।

 

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংকটে তাদের উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। গ্রাহকরাও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। অনেকেই জেনারেটর ব্যবহার করতে চাইলেও জ্বালানি সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।

পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক সময় সিরিয়াল আসার আগেই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে, ফলে জেনারেটর চালু রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, এভাবে লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় আরও বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।