
স্টাফ রিপোর্টার: নীলফামারীর সৈয়দপুর থানায় আইন-শৃঙ্খলার রক্ষকই যেন হয়ে উঠেছেন ন্যায়বিচারের ‘ব্যবসায়ী’ এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজার বিরুদ্ধে। এক নাবালিকা অপহরণ মামলাকে কেন্দ্র করে থানার ভেতরেই প্রকাশ্যে ৩ লাখ টাকার আপস বাণিজ্য হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগকারী প্রতিমা রানী (৩৯) জানান, তার নাবালিকা কন্যা কবিতা রানী (১৪)-কে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল অভিযুক্ত মো. ছামির। পূর্বে অপহরণের পর সামাজিকভাবে মীমাংসা হলেও ফের ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে একই কায়দায় তার মেয়েকে নিখোঁজ করা হয়। এতে তিনি অপহরণের আশঙ্কা প্রকাশ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে থানাকেই বানানো হয় ‘আপসের আখড়া’।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওসির কক্ষে বসেই প্রায় ৩ লাখ টাকার রফাদফা হয়। এর মধ্যে মাত্র ১ লাখ টাকা দিয়ে বাদীকে চুপ করানো হয়, আর বাকি ২ লাখ টাকা ওসি এবং সংশ্লিষ্ট সালিশকারীরা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেন এমন অভিযোগে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
আরও অভিযোগ উঠেছে, পুরো লেনদেন প্রক্রিয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সম্পৃক্ততা ছিল এবং তাদের মাধ্যমেই টাকার বণ্টন সম্পন্ন হয়। ফলে ঘটনাটি শুধু একটি অপহরণ মামলার গণ্ডি ছাড়িয়ে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ভয়াবহ চিত্র সামনে নিয়ে এসেছে।
ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে দৈনিক বিকাল বার্তার পক্ষ থেকে ওসির সরকারি নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি; বরং একপর্যায়ে কল কেটে দেন। এতে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে আইনের আশ্রয় নিতে গিয়ে যদি ভুক্তভোগীকেই আপসের ফাঁদে ফেলা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? নাবালিকা অপহরণের মতো স্পর্শকাতর ঘটনায় এ ধরনের আপস ও অর্থ লেনদেন বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে দিচ্ছে।
সৈয়দপুর থানার ওসিকে প্রতিবেদকের ফোন:
সৈয়দপুর থানার ওসি ওসি রেজাউল করিম রেজা, থানায় বসে আপশ মীমাংসা করা হয় উক্ত সময়ে থানায় বসে ৩ লক্ষ টাকা রফাদফা হয়। বাদীকে ১ লক্ষ টাকা দিয়েছেন আর দুই লক্ষ টাকা ওসি সহ সালিশি গন ভাগ বাটোরা করে নেন বলে জানা গেছে।
সময় রাত ১০.১৯ মিনিট দৈনিক বিকাল বার্তার অফিসিয়াল ফোন নাম্বার 01625555012 থেকে ওসির 01320-135402 নাম্বারে ফোন দিলে ওসি ২য় বার ফোন রিসিভ না করে ৩য় বার ওসি ফোন কেটে দেন। তাহলে লেনদেনের বিষয়টি সত্যতা প্রমাণ করে বলে জানা যায়।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের আওতায় এনে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, না হলে এ ধরনের অনিয়ম আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।
Reporter Name 


















