বাংলাদেশ ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টিকটক থেকে কোটিপতি!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৪৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪০ Time View

**প্রতারণার অভিযোগে সাদিয়া চক্র

স্টাফ রিপোর্টার: সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে গড়ে ওঠা সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বড় ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ইসরাত জাহান সাদিয়ার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার বান্ধবী তিশার মাধ্যমে তিশার স্বামী শাকিলসহ ১০ ব্যক্তির কাছ থেকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ইসরাত জাহান সাদিয়া তিশাকে জানান আমার স্বামী ইমরান হোসেন ইমন  ইউরোপে লোক পাঠাতে পারবেন। এ প্রস্তাবের ভিত্তিতে তিশার স্বামী শাকিলের সঙ্গে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি চুক্তিনামা সম্পাদিত হয়, যেখানে সাদিয়া তার স্বামীর পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে শাকিল কাছ থেকে বিভিন্ন ধাপে তার ব্ল্যাক ব্যাংক ১০৬৪০৩৫৮৮০০০১ থাকে সাদিয়ার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর একাউন্ট যাহার একাউন্ট নাম্বার ২০৫০ ৬৩৪০২০০১ তে টাকা প্রদান করেন।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিদেশে পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা না করে ইসরাত জাহান সাদিয়া, তার স্বামী ইমরান হোসেন ইমন এবং সাদিয়ার বাবা মোঃ লিটনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা যৌথভাবে এই অর্থ আত্মসাৎ করেন।

পরবর্তীতে টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়ে সাদিয়া ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের একটি ৮ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন। তবে একাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়। একইভাবে সাদিয়ার বাবা মো: লিটন ব্র্যাক ব্যাংকের একটি চেক দিলেও সেটিও বাউন্স করে।

 

ভুক্তভোগী শাকিল অভিযোগ করেন, টাকা ফেরত চাইতে গেলে সাদিয়া তাকে হুমকি দেন এবং আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন। এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাদিয়া স্বীকার করেন যে, তিনি চুক্তির মাধ্যমে টাকা নিয়েছেন এবং একটি ৮ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেছেন। তবে টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

অভিযোগ রয়েছে, সাদিয়ার স্বামী ইমরান হোসেন ইমন দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে অবস্থান করে মানব পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত। তিনি নারীদের বিদেশে পাঠিয়ে অসামাজিক কাজে যুক্ত করার অভিযোগেও অভিযুক্ত।

ভুক্তভোগী শাকিলসহ ১০জনের সঙ্গে  এই প্রতারণার ফাঁদে ফেলে সাদিয়া এই প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সাদিয়া একটি প্রতারণা চক্র গড়ে তুলেছেন, যার মাধ্যমে অসহায় মানুষদের টার্গেট করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

টিকটক থেকে কোটিপতি!

Update Time : ০৪:৪৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

**প্রতারণার অভিযোগে সাদিয়া চক্র

স্টাফ রিপোর্টার: সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে গড়ে ওঠা সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে বড় ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ইসরাত জাহান সাদিয়ার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার বান্ধবী তিশার মাধ্যমে তিশার স্বামী শাকিলসহ ১০ ব্যক্তির কাছ থেকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ইসরাত জাহান সাদিয়া তিশাকে জানান আমার স্বামী ইমরান হোসেন ইমন  ইউরোপে লোক পাঠাতে পারবেন। এ প্রস্তাবের ভিত্তিতে তিশার স্বামী শাকিলের সঙ্গে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি চুক্তিনামা সম্পাদিত হয়, যেখানে সাদিয়া তার স্বামীর পক্ষ থেকে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে শাকিল কাছ থেকে বিভিন্ন ধাপে তার ব্ল্যাক ব্যাংক ১০৬৪০৩৫৮৮০০০১ থাকে সাদিয়ার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর একাউন্ট যাহার একাউন্ট নাম্বার ২০৫০ ৬৩৪০২০০১ তে টাকা প্রদান করেন।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বিদেশে পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা না করে ইসরাত জাহান সাদিয়া, তার স্বামী ইমরান হোসেন ইমন এবং সাদিয়ার বাবা মোঃ লিটনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা যৌথভাবে এই অর্থ আত্মসাৎ করেন।

পরবর্তীতে টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়ে সাদিয়া ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের একটি ৮ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন। তবে একাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়। একইভাবে সাদিয়ার বাবা মো: লিটন ব্র্যাক ব্যাংকের একটি চেক দিলেও সেটিও বাউন্স করে।

 

ভুক্তভোগী শাকিল অভিযোগ করেন, টাকা ফেরত চাইতে গেলে সাদিয়া তাকে হুমকি দেন এবং আপত্তিকর ভাষায় কথা বলেন। এমনকি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সাদিয়া স্বীকার করেন যে, তিনি চুক্তির মাধ্যমে টাকা নিয়েছেন এবং একটি ৮ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেছেন। তবে টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

অভিযোগ রয়েছে, সাদিয়ার স্বামী ইমরান হোসেন ইমন দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে অবস্থান করে মানব পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত। তিনি নারীদের বিদেশে পাঠিয়ে অসামাজিক কাজে যুক্ত করার অভিযোগেও অভিযুক্ত।

ভুক্তভোগী শাকিলসহ ১০জনের সঙ্গে  এই প্রতারণার ফাঁদে ফেলে সাদিয়া এই প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সাদিয়া একটি প্রতারণা চক্র গড়ে তুলেছেন, যার মাধ্যমে অসহায় মানুষদের টার্গেট করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি বলে মনে করছেন সচেতন মহল।