বাংলাদেশ ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় যুবদলের নাম বাঙ্গিয়ে মজনুর কালো থাবা!

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • ৩৪ Time View

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ মাদক ব্যবসায়ী রহিমা হাবিব নাজু ও জুয়াড়ি মজনু রাম রাজত্ব। সিলেটের দক্ষিণ সুরমায়, যেখানে রাতের অন্ধকারে লোভের আলো জ্বলে, সেখানে জুয়ারীদের মাদকে কালো থাবা যেন এক বিষাক্ত জাল-যা সাধারণ মানুষের জীবনকে গ্রাস করে, পরিবারে বিবাদের আগুন জ্বালায়। মাদক জুয়া জিরোটলারেন্স নীতি সত্ত্বেও কদমতলী ফাঁড়ির আওতাধীন তাকা সত্বেও “জাকুমুন্ড, শিলংতীর নামক অনলাইন জুয়ার মাদক রমরামা চলছে-যেন এক অদৃশ্য রাক্ষস, যা লক্ষাধিক টাকার প্রতারণায় মানুষকে ফাঁসায়। এই জালের ফাঁদে পড়ে সাধারণ মানুষের স্বপ্ন ছিন্ন হয়, পরিবারে বিবাদের আগুন জ্বলে, এবং যুবকরা চুরি-ছিনতাইয়ের অন্ধকারে ডুবে যায়। স্থানীয়রা বলছেন, এই রামরাজ্য যেন এক কালো মেঘ-যা সিলেটের শাস্তি গ্রাস করছে, আর প্রশাসনের নীরবতা যেন তার বজ্রপাত।

 

মজনু ও রহিমা-সিলেটের অন্যতম আলোচিত জুয়ারী রহিমা মাদক ব্যবসায়ী মজনু রহিমার স্বামী ২৬ নং ওয়ার্ডের” ভার্থখলা মসজিদ বাজারের পিছনের শরীফ মিয়ার কলোনি মাদক ও তীর শিলং জুয়া জান্ডু গাজা ইয়াবা বিক্রি হয় ও কিশোর গ্যাংয়ের এবং নিরাপদ আস্তানা। জুয়ার মাদকের বিক্রি জুয়ার বোর্ড চালিয়ে প্রতারণায় মেতেছে। রহিমার বনিজানাই হাবিব সহযোগিতায় এই বোর্ড চলে-যেন এক বিষাক্ত ফুল, যা লোভের প্রলোভনে মানুষকে টেনে নেয়। কদমতলী ফাঁড়ি পুলিশের ভূমিকা রহস্যজন। ফাঁড়ির আড়াইশ গজ দূরে মাছুমের বোর্ড চলছে, যেন এক নিরাপদ আশ্রয়, যা পুলিশের চোখ এড়িয়ে যায় বোর্ড-পুরাতন রেলস্টেশনের ডগে-প্রতিদিন ২ লক্ষ টাকার জুয়ায় প্রতারণা চালায়। এক অদৃশ্য চক্র, যা পুলিশের ছায়ায় লুকিয়ে প্রতারণার জাল বুনছে। রেইনবো মার্কেটের সামনে কমপ্লেক্সের সামনে ইয়াব ছিদিক বোর্ড প্রতিদিন ১ লক্ষ টাকার খেলা টাকা আদায় হয়। রায়েল ও পলাশের বোর্ডগুলো মোবাইলে শিলংতীর

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় যুবদলের নাম বাঙ্গিয়ে মজনুর কালো থাবা!

Update Time : ০৮:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ মাদক ব্যবসায়ী রহিমা হাবিব নাজু ও জুয়াড়ি মজনু রাম রাজত্ব। সিলেটের দক্ষিণ সুরমায়, যেখানে রাতের অন্ধকারে লোভের আলো জ্বলে, সেখানে জুয়ারীদের মাদকে কালো থাবা যেন এক বিষাক্ত জাল-যা সাধারণ মানুষের জীবনকে গ্রাস করে, পরিবারে বিবাদের আগুন জ্বালায়। মাদক জুয়া জিরোটলারেন্স নীতি সত্ত্বেও কদমতলী ফাঁড়ির আওতাধীন তাকা সত্বেও “জাকুমুন্ড, শিলংতীর নামক অনলাইন জুয়ার মাদক রমরামা চলছে-যেন এক অদৃশ্য রাক্ষস, যা লক্ষাধিক টাকার প্রতারণায় মানুষকে ফাঁসায়। এই জালের ফাঁদে পড়ে সাধারণ মানুষের স্বপ্ন ছিন্ন হয়, পরিবারে বিবাদের আগুন জ্বলে, এবং যুবকরা চুরি-ছিনতাইয়ের অন্ধকারে ডুবে যায়। স্থানীয়রা বলছেন, এই রামরাজ্য যেন এক কালো মেঘ-যা সিলেটের শাস্তি গ্রাস করছে, আর প্রশাসনের নীরবতা যেন তার বজ্রপাত।

 

মজনু ও রহিমা-সিলেটের অন্যতম আলোচিত জুয়ারী রহিমা মাদক ব্যবসায়ী মজনু রহিমার স্বামী ২৬ নং ওয়ার্ডের” ভার্থখলা মসজিদ বাজারের পিছনের শরীফ মিয়ার কলোনি মাদক ও তীর শিলং জুয়া জান্ডু গাজা ইয়াবা বিক্রি হয় ও কিশোর গ্যাংয়ের এবং নিরাপদ আস্তানা। জুয়ার মাদকের বিক্রি জুয়ার বোর্ড চালিয়ে প্রতারণায় মেতেছে। রহিমার বনিজানাই হাবিব সহযোগিতায় এই বোর্ড চলে-যেন এক বিষাক্ত ফুল, যা লোভের প্রলোভনে মানুষকে টেনে নেয়। কদমতলী ফাঁড়ি পুলিশের ভূমিকা রহস্যজন। ফাঁড়ির আড়াইশ গজ দূরে মাছুমের বোর্ড চলছে, যেন এক নিরাপদ আশ্রয়, যা পুলিশের চোখ এড়িয়ে যায় বোর্ড-পুরাতন রেলস্টেশনের ডগে-প্রতিদিন ২ লক্ষ টাকার জুয়ায় প্রতারণা চালায়। এক অদৃশ্য চক্র, যা পুলিশের ছায়ায় লুকিয়ে প্রতারণার জাল বুনছে। রেইনবো মার্কেটের সামনে কমপ্লেক্সের সামনে ইয়াব ছিদিক বোর্ড প্রতিদিন ১ লক্ষ টাকার খেলা টাকা আদায় হয়। রায়েল ও পলাশের বোর্ডগুলো মোবাইলে শিলংতীর