
স্টাফ রিপোর্টার আমিন কক্সবাজার: কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী এলাকার রিক্সা চালক শামসুল আলমকে হত্যার দায়ে ৩ ঘাতককে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন রামু থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছেন, রামু থানার মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ শওকত জামিল আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও জড়িত আসামিদের সনাক্ত করেন। হত্যাকান্ডে জড়িত আসামি ১) আব্দু শুক্কুর (৩৮), পিতা- মৃত মোহাম্মদ আলী, মাতা- আমেনা খাতুন, সাং- পাগলিরবিল, ১নং ওয়ার্ড, হলদিয়াপালং ইউপি, থানা- উখিয়া; ২) গুরা মনিয়া (২২), পিতা- সৈয়দ আকবর, সাং- ছাদিরকাটা, বাইন্যার দোকান, খুনিয়াপালং ইউপি, থানা- রামু এবং ৩) হোছন (১৯), পিতা- ইদ্রিস ভান্ডারি, সাং- পাগলির বিল, ১নং ওয়ার্ড, হলদিয়াপালং ইউপি, থানা- উখিয়াকে গত ৮ ও মে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করেন।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ঘটনায় জড়িত আসামি আব্দু শুক্কুর (৩৮) কে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে ভিকটিম শামসুল আলম (৫১) এর অটো মিশুক গাড়ি ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে ভিকটিমকে ১০ মার্চ’২৬ তারিখ কক্সবাজার সদর থানা এলাকা হতে মালামাল আনার অজুহাতে আসা-যাওয়ার জন্য ১,২০০/- টাকায় ভাড়া করেন রামুর চা বাগান এলাকায় নিয়ে আসেন। আসামিরা ভিকটিম শামসুল আলমকে জোয়ারিয়ানালা ইউপিস্থ ৭নং ওয়ার্ডের রামু রাবার বাগান কারখানার পিছনের পূর্ব দিকে নির্জন গহীন পাহাড়ে এনে অটো মিশুক গাড়ি ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে গাড়ির চাবি চাইলে ভিকটিম প্রথমে চাবি প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং গাড়ি ছিনতাই কাজে বাঁধা প্রদান করেন। তখন আসামিরা ভিকটিমের সাথে থাকা গামছা গলায় পেঁছিয়ে শ্বাসরোধ করে ভিকটিমকে হ/ত্যা করে এবং ভিকটিমের মুখে মাস্ক লাগিয়ে দেয়। আসামিরা ভিকটিমকে হ/ত্যার পর অটো মিশুক গাড়িটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে গিয়ে উখিয়ার মরিচ্যা ইটের ভাটার পাশে রেখে দেন। ঘটনার পরের দিন অর্থাৎ ১১ মার্চ অটো মিশুক গাড়িটি কোটবাজার এলাকায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির নিকট ৩০ হাজার টাকায় বিক্রয় করে প্রতি জনে ১০ হাজার টাকা করে ভাগবাটোয়ারা করে নেন।
Reporter Name 


















