
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
মহসিন হোসেন জয়:
পটুয়াখালীর গলাচিপায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড চর চন্দ্রাইল স্কুল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হলো— বাহার চৌকিদারের চা-পান ও কসমেটিকসের দোকান, রুবেল খানের কসমেটিকসের দোকান, অলিউল্লাহ খানের কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকান ও খোকন গাজীর চায়ের দোকান। এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রেজাউল গাজীর কীটনাশকের দোকান, হাফেজ গাজীর ফার্মেসী ও আনোয়ার গাজীর টেইলার্সের দোকান।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ দোকান থেকে ধোঁয়া ও আগুন বের হতে দেখে মসজিদের তবলিগ জামায়াতের সদস্য মো. সোহেল চিৎকার করেন। পরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হয়। স্থানীয়রা বালতির পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও মুহূর্তেই আগুন পাঁচটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা পর স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে দোকানগুলো সম্পূর্ণ পুড়ে যায় এবং তিনটি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার বাহার চৌকিদার বলেন, আগুনে আমাদের সব মালামাল পুড়ে গেছে। আমাদের সর্বনাশ হয়ে গেল। আমরা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে সাহায্য চাই। দোকানের আয় দিয়ে আমাদের সংসার চলতো।
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিরা।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান বলেন, দোকানঘরসহ সব মালামাল পুড়ে গেছে। আমরা ক্ষয়ক্ষতির তালিকা উপজেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেব।
গলাচিপা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন সাব অফিসার মো. কামাল হোসেন জানান, রাত ৩টার দিকে ৯৯৯ এ খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে পথিমধ্যে খবর পান স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। কিন্তু এরই মধ্যে দোকানগুলো ভস্মীভূত হয়। আগুনের সূত্রপাত প্রাথমিকভাবে জানা না গেলেও স্থানীয়দের ধারণা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
Reporter Name 
























