বাংলাদেশ ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেতৃত্বহীন বরগুনা বিএনপি’র পরিবর্তনের আশা কর্নেল হারুনের হাত ধরে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৮ Time View

 

মিজান*বরগুনা জেলা প্রতিনিধি”‘

আড়াই বছর ধরে সাংগঠনিক অচলাবস্থায় ভুগছে বরগুনা জেলা বিএনপি। নেই কমিটি, নেই কার্যকর নেতৃত্ব, ভেতরে ভেতরে তিন ভাগে বিভক্ত দল এখন হতাশা ও দ্বিধায় ডুবে আছে। এমন পরিস্থিতিতে আলোচনায় এসেছেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হারুনুর রশীদ খান। তাঁর অভিজ্ঞতা, সৎ ইমেজ ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি স্থানীয় রাজনীতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

 

২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে জেলা আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হলেও আজ পর্যন্ত নতুন কোনো কমিটি গঠন হয়নি। ফলে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বিভ্রান্ত ও দিশেহারা।

 

দলীয় সূত্র জানায়, বর্তমানে জেলা বিএনপি তিনটি গ্রুপে বিভক্ত—মোল্লা পরিবার, মনিরের অনুসারী এবং কর্নেল হারুনের সম্ভাব্য সমর্থক গোষ্ঠী। এই বিভাজন দলের কার্যক্রমকে প্রায় অকার্যকর করে ফেলেছে।

 

অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হারুন সেনাবাহিনীতে Sword of Honor প্রাপ্ত কর্মকর্তা। ১৯৭৮–৮১ সালে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ADC ছিলেন। পরবর্তীতে জাতিসংঘে টানা ২২ বছর সিনিয়র পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি জাতিসংঘের Bravery Award লাভ করেছেন।

 

স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের নেতৃত্বশূন্য অবস্থায় কর্নেল হারুন জেলা বিএনপির ভাঙন রোধ ও নতুন কাঠামো গঠনে সক্ষম হতে পারেন। তাঁর আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও সৎ ইমেজ তৃণমূলের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া জাগাতে পারে।

 

তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, “আমরা এমন একজন নেতার প্রত্যাশা করি, যিনি সৎ, সাহসী এবং অভিজ্ঞ। কর্নেল হারুন আমাদের সেই আশার প্রতীক হতে পারেন।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

নেতৃত্বহীন বরগুনা বিএনপি’র পরিবর্তনের আশা কর্নেল হারুনের হাত ধরে

Update Time : ১২:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

মিজান*বরগুনা জেলা প্রতিনিধি”‘

আড়াই বছর ধরে সাংগঠনিক অচলাবস্থায় ভুগছে বরগুনা জেলা বিএনপি। নেই কমিটি, নেই কার্যকর নেতৃত্ব, ভেতরে ভেতরে তিন ভাগে বিভক্ত দল এখন হতাশা ও দ্বিধায় ডুবে আছে। এমন পরিস্থিতিতে আলোচনায় এসেছেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হারুনুর রশীদ খান। তাঁর অভিজ্ঞতা, সৎ ইমেজ ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি স্থানীয় রাজনীতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

 

২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে জেলা আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হলেও আজ পর্যন্ত নতুন কোনো কমিটি গঠন হয়নি। ফলে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বিভ্রান্ত ও দিশেহারা।

 

দলীয় সূত্র জানায়, বর্তমানে জেলা বিএনপি তিনটি গ্রুপে বিভক্ত—মোল্লা পরিবার, মনিরের অনুসারী এবং কর্নেল হারুনের সম্ভাব্য সমর্থক গোষ্ঠী। এই বিভাজন দলের কার্যক্রমকে প্রায় অকার্যকর করে ফেলেছে।

 

অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হারুন সেনাবাহিনীতে Sword of Honor প্রাপ্ত কর্মকর্তা। ১৯৭৮–৮১ সালে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ADC ছিলেন। পরবর্তীতে জাতিসংঘে টানা ২২ বছর সিনিয়র পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি জাতিসংঘের Bravery Award লাভ করেছেন।

 

স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের নেতৃত্বশূন্য অবস্থায় কর্নেল হারুন জেলা বিএনপির ভাঙন রোধ ও নতুন কাঠামো গঠনে সক্ষম হতে পারেন। তাঁর আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও সৎ ইমেজ তৃণমূলের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া জাগাতে পারে।

 

তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, “আমরা এমন একজন নেতার প্রত্যাশা করি, যিনি সৎ, সাহসী এবং অভিজ্ঞ। কর্নেল হারুন আমাদের সেই আশার প্রতীক হতে পারেন।”