বাংলাদেশ ১০:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণমাথার রাত কেঁপে উঠল হামলায়: স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়ি ভাংচুর, এলাকায় উদ্বেগ–উৎকণ্ঠা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৪ Time View

স্টাফ রিপোর্টার- ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান) আসনের শান্ত সন্ধ্যাকে ছিন্নভিন্ন করে দিল আরেকটি সহিংস অধ্যায়। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকনের গণসংযোগে নেমে এলো দুঃসাহসিক হামলা। দক্ষিণমাথার বাতাসে তখন শুধু মানুষের হাঁকডাকই নয়—কাঁচ ভাঙার শব্দ, আতঙ্কে ছুটোছুটি আর অন্ধকারে ছুটে বেড়ানো সন্ত্রাসীদের ছায়া মিলেমিশে এক অস্বস্তিকর গা-ছমছমে দৃশ্য তৈরি করেছিল।

 

২৮ নভেম্বর (শুক্রবার) রাত ৮টার দিকে গণসংযোগ চলছিল আগের মতোই; সাধারণ মানুষ চারপাশে ভিড় করে প্রার্থীকে অভিবাদন জানাচ্ছিল। হঠাৎ করেই হারুন ও লাবুর নেতৃত্বে ২০–২৫ জনের একটি দল যেন অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে আঘাত হানে। মুহূর্তেই ছিন্ন হয়ে যায় গণতন্ত্রের পথচলার নীরবতা। সন্ত্রাসীদের লোহার রড আর কাঠের আঘাতে অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকনের গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে কণ্ঠ ভারী করে তিনি বলেন, “আমি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলি—এই অপরাধেই আজ আমাকে আবার আঘাত করা হলো। আগেও হামলার শিকার হয়েছি, প্রশাসনকে জানিয়েছি। তবুও অন্ধকার যেন বারবার ফিরে আসে।”

 

তাঁর কথায় ছিল প্রতিবাদের আগুন, আবার ছিল আহত জনতার মনের ক্ষতচাপা বেদনা।

 

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, “অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকন ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছেন। তাঁকে থানায় একটি অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

শুক্রবার রাতের দক্ষিণমাথা যেন শুধু একটি হামলার সাক্ষী নয়; এটি সাক্ষী হয়ে রইল অস্থির সময়ের, রাজনৈতিক উত্তেজনার, আর ভয়ভীতির মধ্যেও দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষের। ঘটনাস্থলের বাতাসে আজও চাপা শব্দে উচ্চারিত হয় মানুষের প্রশ্ন—? এই হামলা কি কেবল একজন প্রার্থীর ওপর, নাকি গণতন্ত্রের পথরেখায় আরেকটি নীরব আঘাত

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

দক্ষিণমাথার রাত কেঁপে উঠল হামলায়: স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়ি ভাংচুর, এলাকায় উদ্বেগ–উৎকণ্ঠা

Update Time : ০৫:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার- ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান) আসনের শান্ত সন্ধ্যাকে ছিন্নভিন্ন করে দিল আরেকটি সহিংস অধ্যায়। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকনের গণসংযোগে নেমে এলো দুঃসাহসিক হামলা। দক্ষিণমাথার বাতাসে তখন শুধু মানুষের হাঁকডাকই নয়—কাঁচ ভাঙার শব্দ, আতঙ্কে ছুটোছুটি আর অন্ধকারে ছুটে বেড়ানো সন্ত্রাসীদের ছায়া মিলেমিশে এক অস্বস্তিকর গা-ছমছমে দৃশ্য তৈরি করেছিল।

 

২৮ নভেম্বর (শুক্রবার) রাত ৮টার দিকে গণসংযোগ চলছিল আগের মতোই; সাধারণ মানুষ চারপাশে ভিড় করে প্রার্থীকে অভিবাদন জানাচ্ছিল। হঠাৎ করেই হারুন ও লাবুর নেতৃত্বে ২০–২৫ জনের একটি দল যেন অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে আঘাত হানে। মুহূর্তেই ছিন্ন হয়ে যায় গণতন্ত্রের পথচলার নীরবতা। সন্ত্রাসীদের লোহার রড আর কাঠের আঘাতে অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকনের গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে কণ্ঠ ভারী করে তিনি বলেন, “আমি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলি—এই অপরাধেই আজ আমাকে আবার আঘাত করা হলো। আগেও হামলার শিকার হয়েছি, প্রশাসনকে জানিয়েছি। তবুও অন্ধকার যেন বারবার ফিরে আসে।”

 

তাঁর কথায় ছিল প্রতিবাদের আগুন, আবার ছিল আহত জনতার মনের ক্ষতচাপা বেদনা।

 

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, “অ্যাডভোকেট মহিবউল্যাহ খোকন ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছেন। তাঁকে থানায় একটি অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

শুক্রবার রাতের দক্ষিণমাথা যেন শুধু একটি হামলার সাক্ষী নয়; এটি সাক্ষী হয়ে রইল অস্থির সময়ের, রাজনৈতিক উত্তেজনার, আর ভয়ভীতির মধ্যেও দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষের। ঘটনাস্থলের বাতাসে আজও চাপা শব্দে উচ্চারিত হয় মানুষের প্রশ্ন—? এই হামলা কি কেবল একজন প্রার্থীর ওপর, নাকি গণতন্ত্রের পথরেখায় আরেকটি নীরব আঘাত