
এফ,এম,এ রাজ্জাক, খুলনা জেলা প্রতিনিধি :- খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লক্ষাধিক টাকার মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চেঁচুয়া গ্রামের শাহাবুদ্দিন শেখদের লাগানো গাছ গত ১৬ ডিসেম্বর একই এলাকার নজরুল দপ্তরী ও তার লোকজন কেটে নিয়ে যায়। চেঁচুয়া ও কচুবিনিয়া মৌজায় ৫৮ শতক জমি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ১৯৮৪ সাল থেকে আদালতে দেওয়ানি মামলা চলমান।
পাইকগাছা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেঃ ১৭/৮৪ (পরবর্তীতে ৫৪৭/৮৪) মামলায় প্রথমে প্রতিপক্ষ নজরুল দপ্তরীরা রায়-ডিগ্রি পান। এর বিরুদ্ধে খুলনা সাব জজ ২য় আদালতে দেঃ আপিল ৭৫/৯০ মামলায় শাহাবুদ্দিন শেখরা রায়-ডিগ্রি প্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে প্রতিপক্ষরা হাইকোর্টে সি.আর ২১৭১/৯২ মামলা করলে নিম্ন আদালতের রায় বহাল থাকে। সর্বশেষ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করলেও তা খারিজ হয়।
এরপর প্রতিপক্ষরা পাইকগাছা সহকারী জজ আদালতে দেঃ ৫/২০০৫ পৃথক বাটোয়ারা মামলা দায়ের করে এবং ১৯-১০-২০২৫ তারিখে রায়-ডিগ্রি পান। ওই রায়ের বিরুদ্ধে ৯-১১-২০২৫ তারিখে খুলনা জেলা জজ আদালতে ডিগ্রি রদ ও রহিত চেয়ে ২৪৫/২৫ নম্বর আপিল মামলা এবং নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে জেলা জজ আদালত নিম্ন আদালতের রায়-ডিগ্রি স্থগিত করেন।
অভিযোগকারীর দাবি, আদালতের স্থগিতাদেশের নোটিশ পাওয়ার পরও তা অমান্য করে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী শাহাবুদ্দিন শেখ বলেন, “প্রতিপক্ষরা আমার লাগানো গাছ জোরপূর্বক কেটে নিয়ে গেছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা এই কাজ করেছে।”
অন্যদিকে অভিযুক্ত নজরুল দপ্তরী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আদালতের রায় পাওয়ার পর নিজেদের জমির গাছ আমরা কেটেছি।”
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারীরা।
Reporter Name 






















