বাংলাদেশ ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কে হচ্ছেন খামেনির পরবর্তী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৫৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ১৩৭ Time View

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু হয়েছে—এমন খবরে পশ্চিম এশিয়ার দেশটি এখন নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচনের চ্যালেঞ্জের মুখে। প্রায় চার দশক ধরে কঠোর হাতে শাসন করা এই প্রবীণ নেতার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত কোনো উত্তরসূরি এ মুহূর্তে নেই।

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, ‘বিশেষজ্ঞ পরিষদ’ বা Assembly of Experts–এর ৮৮ জন সিনিয়র আলেমের নির্বাচিত সংস্থা পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করবে। ১৯৭৯ সালে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর এই প্রক্রিয়া কেবল একবারই সম্পন্ন হয়েছে—১৯৮৯ সালে Ruhollah Khomeini–এর মৃত্যুর পর খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

সম্ভাব্য প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক বাস্তবতা

শাসকগোষ্ঠী স্থিতিশীলতা প্রদর্শনের লক্ষ্যে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চাইবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিষদের সদস্যরা শিগগিরই বৈঠকে বসতে পারেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর ঘোষণার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি যৌথ বোমা হামলা অব্যাহত থাকলে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিতে বৈঠক আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার যোগ্যতা

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে—

পুরুষ হতে হবে,

উচ্চ পর্যায়ের শিয়া ধর্মীয় আলেম হতে হবে,

রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও প্রশাসনিক সক্ষমতা থাকতে হবে,

নৈতিক কর্তৃত্ব ও ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য থাকতে হবে।

ধারণা করা হচ্ছে, বিশেষজ্ঞ পরিষদ এবারও সংস্কারপন্থীদের বাইরে রেখে কট্টরপন্থী ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের দিকেই ঝুঁকতে পারে।

ইরানের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ধারণ করবে দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

কে হচ্ছেন খামেনির পরবর্তী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা?

Update Time : ০৬:৫৪:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু হয়েছে—এমন খবরে পশ্চিম এশিয়ার দেশটি এখন নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচনের চ্যালেঞ্জের মুখে। প্রায় চার দশক ধরে কঠোর হাতে শাসন করা এই প্রবীণ নেতার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত কোনো উত্তরসূরি এ মুহূর্তে নেই।

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, ‘বিশেষজ্ঞ পরিষদ’ বা Assembly of Experts–এর ৮৮ জন সিনিয়র আলেমের নির্বাচিত সংস্থা পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করবে। ১৯৭৯ সালে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর এই প্রক্রিয়া কেবল একবারই সম্পন্ন হয়েছে—১৯৮৯ সালে Ruhollah Khomeini–এর মৃত্যুর পর খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

সম্ভাব্য প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক বাস্তবতা

শাসকগোষ্ঠী স্থিতিশীলতা প্রদর্শনের লক্ষ্যে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চাইবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিষদের সদস্যরা শিগগিরই বৈঠকে বসতে পারেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর ঘোষণার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি যৌথ বোমা হামলা অব্যাহত থাকলে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিতে বৈঠক আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার যোগ্যতা

ইরানের সংবিধান অনুযায়ী নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে—

পুরুষ হতে হবে,

উচ্চ পর্যায়ের শিয়া ধর্মীয় আলেম হতে হবে,

রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও প্রশাসনিক সক্ষমতা থাকতে হবে,

নৈতিক কর্তৃত্ব ও ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য থাকতে হবে।

ধারণা করা হচ্ছে, বিশেষজ্ঞ পরিষদ এবারও সংস্কারপন্থীদের বাইরে রেখে কট্টরপন্থী ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের দিকেই ঝুঁকতে পারে।

ইরানের অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ধারণ করবে দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির