
হারুন অর রশীদ, স্টাফ রিপোর্টার :-গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পৈত্রিক ও দলিলসূত্রে প্রাপ্ত জমি থেকে জোরপূর্বক মূল্যবান গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত ২ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকালে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের, সোনারপাড়া (কামারদহ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মফিদুল ইসলাম (পাপুল) বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কামারদহ মৌজার জে.এল নং-২৬৬, বিআরএস খতিয়ান নং-৩১২ এর বিভিন্ন দাগে মোট ২৯ শতক জমি মফিদুল ইসলাম ও তার পরিবার পৈত্রিক সূত্রে দীর্ঘকাল ধরে ভোগদখল করে আসছেন। ওই জমিতে তাদের লাগানো আম, কদম ও মেহগনিসহ বিভিন্ন গাছ বড় হলে সম্প্রতি বিবাদী পক্ষ ওই জমির মালিকানা দাবি করে গাছ কাটাসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল।
গত ০২/০৩/২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে স্থানীয় ১. সাবু মিয়া, ২. এরোম (৫৮), ৩. মমিরুল (৫২), ৪. আতিয়ার (৫০), ৫. দেলোয়ারা (৫৬) ও ৬. মুন্নি (৩৮) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৭ জন দেশীয় অস্ত্র (দা, কুড়াল, শাবল, রড) নিয়ে জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে।
বাদী জানান, বিবাদীরা প্রকাশ্য দিবালোকে বাগান থেকে ১৩টি আম গাছ, ২টি কদম গাছ এবং ৩টি মেহগনি গাছ জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা। বাধা দিতে গেলে হামলাকারীরা ভুক্তভোগী ও তার পরিবারকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজসহ খুন-জখমের হুমকি প্রদান করে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে শরিফুল ইসলাম,সাহিদুল ইসলাম,হাবিবুর রহমান ও রফিকসহ স্থানীয় অনেকেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তারা জানান, বিবাদীরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় এবং দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আটকানো সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী মফিদুল ইসলাম বলেন,জমিটি আমার বাবার আমল থেকে আমাদের দখলে এবং বিআরএস খতিয়ানও আমাদের নামে। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও বিবাদীরা তা মানেনি। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও এই জবরদখলকারীদের বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার এসআই মাহবুর রহমান জানান, অভিযোগ সুত্রে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করর হবে।
Reporter Name 























