বাংলাদেশ ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে শাহবাগ থানায় রাতের উত্তেজনা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৪৪ Time View

বিকাল বার্তা ডেস্ক: রাজধানীতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে শাহবাগ থানার সামনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি ও এর প্রতিবাদে পাল্টা অবস্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও স্লোগান-পাল্টা স্লোগানের ঘটনা ঘটে। এ সময় একজনকে মারধরের অভিযোগও ওঠে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে রাজধানীর চানখাঁরপুল মোড়ে সাউন্ড বক্সে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদসহ দুজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি সাউন্ড বক্সও জব্দ করা হয়। আটক আসিফ আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মসংস্থান সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রাতে শাহবাগ থানার সামনে ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি। রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে একটি রিকশায় সাউন্ড বক্স বসিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজাতে দেখা যায় তাকে ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনকে। আটক শিক্ষার্থীকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তারা।

এদিকে কর্মসূচির খবর পেয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরের নেতৃত্বে আরেকটি পক্ষ শাহবাগ থানার সামনে পাল্টা অবস্থান নেয়। দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি স্লোগান শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে ডাকসুর সাবেক নেতা এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ ঘটনাস্থলে আসেন। পরে ভাষণ বাজানো রিকশাসহ শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে শাহবাগ থানার ভেতরে নেওয়া হয়। এ সময় উত্তেজনার মধ্যে তার সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে এ বি জুবায়ের বলেন, “৭ মার্চের ভাষণকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হচ্ছে। আটক হওয়া ব্যক্তি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।”

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে শাহবাগ থানায় রাতের উত্তেজনা

Update Time : ০৭:০৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

বিকাল বার্তা ডেস্ক: রাজধানীতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে শনিবার রাতে শাহবাগ থানার সামনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি ও এর প্রতিবাদে পাল্টা অবস্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও স্লোগান-পাল্টা স্লোগানের ঘটনা ঘটে। এ সময় একজনকে মারধরের অভিযোগও ওঠে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে রাজধানীর চানখাঁরপুল মোড়ে সাউন্ড বক্সে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদসহ দুজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি সাউন্ড বক্সও জব্দ করা হয়। আটক আসিফ আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মসংস্থান সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রাতে শাহবাগ থানার সামনে ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি। রাত সাড়ে ৯টার দিকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে একটি রিকশায় সাউন্ড বক্স বসিয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজাতে দেখা যায় তাকে ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজনকে। আটক শিক্ষার্থীকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তারা।

এদিকে কর্মসূচির খবর পেয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরের নেতৃত্বে আরেকটি পক্ষ শাহবাগ থানার সামনে পাল্টা অবস্থান নেয়। দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি স্লোগান শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে ডাকসুর সাবেক নেতা এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ ঘটনাস্থলে আসেন। পরে ভাষণ বাজানো রিকশাসহ শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে শাহবাগ থানার ভেতরে নেওয়া হয়। এ সময় উত্তেজনার মধ্যে তার সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে এ বি জুবায়ের বলেন, “৭ মার্চের ভাষণকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হচ্ছে। আটক হওয়া ব্যক্তি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।”

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।