
স্টাফ রিপোর্টার: সোনালী ব্যাংকের স্টাফ কোয়ার্টার বরাদ্দকে ঘিরে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, আনুষ্ঠানিক বরাদ্দ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই বেশ কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী সংশ্লিষ্ট বাসাগুলোতে বসবাস শুরু করেছেন। এতে করে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘনের পাশাপাশি রাজস্ব আদায় নিয়েও জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে আগাম বাসায় ওঠা এসব ব্যক্তির কাছ থেকে নিয়ম অনুযায়ী ভাড়া বা অন্যান্য রাজস্ব আদায় করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ফলে সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব আদায় না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এ ধরনের অনিয়ম অব্যাহত থাকলে সরকারি কোষাগার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
এদিকে, অভিযোগ উঠেছে যে কিছু প্রভাবশালী কর্মকর্তা এই সুযোগে নিয়ম উপেক্ষা করে বাসা দখল করেছেন। বিষয়টি ব্যাংকের অভ্যন্তরে “অঘোষিত সুবিধা” হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন। এতে করে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষও বাড়ছে।
প্রশ্ন উঠেছে, অবৈধভাবে বসবাসকারী ব্যক্তিদের কাছ থেকে বকেয়া রাজস্ব আদায় করবে কে? ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কি তাদের কাছ থেকে বকেয়া আদায়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, নাকি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হবে? যদি রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থতা দেখা দেয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ওপর সেই অর্থ পরিশোধের দায় বর্তাতে পারে বলেও আলোচনা চলছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের অনিয়ম প্রশাসনিক দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ। সঠিক তদন্ত ছাড়া এ ধরনের অভিযোগের নিষ্পত্তি সম্ভব নয়। তাই দ্রুত একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত চিত্র উদঘাটনের দাবি জানানো হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ফলে পুরো বিষয়টি ঘিরে ধোঁয়াশা কাটেনি। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এ ঘটনা আরও বড় বিতর্কে রূপ নিতে পারে।
পরবর্তীতে নামসহ নিউজ থাকছেন আপনাদের সহযোগিতার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
Reporter Name 






















