বাংলাদেশ ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেমিট্যান্স এলো ২৬৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার সিলেট প্রবাসীদের!

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৭:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • ১৬৬ Time View

 

বিকাল বার্তা ডেস্ক:

দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বড় ভূমিকা পালন করছেন সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীরা। সদ্যবিদায়ী অর্থবছরে ২শ’৬৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন সিলেট বিভাগের প্রবাসীরা। দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর তালিকায় সিলেট বিভাগের অবস্থান তিন নম্বারে। সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়ে এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ঢাকা বিভাগের প্রবাসীরা। দ্বিতীয় অবস্থান চট্টগ্রাম। আর সবচেয়ে কম রেমিট্যান্স এসেছে রংপুর বিভাগে।

 

বুধবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

 

এতে বলা হয়, সদ্যবিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে ৩ হাজার ৩২ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৩২ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে চট্টগ্রাম বিভাগে। চট্টগ্রামে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৮১৮ কেটি ৪৬ লাখ ডলার। আর প্রবাসীরা সিলেট বিভাগে ২৬৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার, খুলনা বিভাগে ১৩২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার, রাজশাহী বিভাগে ১০১ কোটি ৬৩ লাখ ডলার, বরিশাল বিভাগে ৮৪ কোটি ১৫ লাখ ডলার, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬০ কোটি ৮২ লাখ ডলার ও রংপুর বিভাগে ৪৬ কোটি ৫৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

 

এদিকে, গত জুন মাসে দেশে এসেছে ২৮২ কোটি ১৩ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে এসেছে সর্বোচ্চ ১৬৬ কোটি ৬৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৪ কোটি ১০ লাখ ডলার, সিলেট বিভাগে ২০ কোটি ১০ লাখ ডলার, খুলনা বিভাগে ৯ কোটি ৯২ লাখ ডলার, রাজশাহী বিভাগে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, বরিশাল বিভাগে ৬ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪ কোটি ১৩ লাখ ডলার ও রংপুর বিভাগে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

 

এদিকে গত অর্থবছরজুড়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড। এর আগে দেশে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে। সেই অর্থবছর জুড়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার বা ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

রেমিট্যান্স এলো ২৬৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার সিলেট প্রবাসীদের!

Update Time : ১১:২৭:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

 

বিকাল বার্তা ডেস্ক:

দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বড় ভূমিকা পালন করছেন সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীরা। সদ্যবিদায়ী অর্থবছরে ২শ’৬৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন সিলেট বিভাগের প্রবাসীরা। দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর তালিকায় সিলেট বিভাগের অবস্থান তিন নম্বারে। সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়ে এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ঢাকা বিভাগের প্রবাসীরা। দ্বিতীয় অবস্থান চট্টগ্রাম। আর সবচেয়ে কম রেমিট্যান্স এসেছে রংপুর বিভাগে।

 

বুধবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

 

এতে বলা হয়, সদ্যবিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে ৩ হাজার ৩২ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৩২ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে চট্টগ্রাম বিভাগে। চট্টগ্রামে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৮১৮ কেটি ৪৬ লাখ ডলার। আর প্রবাসীরা সিলেট বিভাগে ২৬৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার, খুলনা বিভাগে ১৩২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার, রাজশাহী বিভাগে ১০১ কোটি ৬৩ লাখ ডলার, বরিশাল বিভাগে ৮৪ কোটি ১৫ লাখ ডলার, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬০ কোটি ৮২ লাখ ডলার ও রংপুর বিভাগে ৪৬ কোটি ৫৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

 

এদিকে, গত জুন মাসে দেশে এসেছে ২৮২ কোটি ১৩ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে এসেছে সর্বোচ্চ ১৬৬ কোটি ৬৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৪ কোটি ১০ লাখ ডলার, সিলেট বিভাগে ২০ কোটি ১০ লাখ ডলার, খুলনা বিভাগে ৯ কোটি ৯২ লাখ ডলার, রাজশাহী বিভাগে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, বরিশাল বিভাগে ৬ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪ কোটি ১৩ লাখ ডলার ও রংপুর বিভাগে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

 

এদিকে গত অর্থবছরজুড়ে দেশে এসেছে ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড। এর আগে দেশে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে। সেই অর্থবছর জুড়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার বা ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।