বাংলাদেশ ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি কোয়ার্টারেই গড়ে উঠেছে ভাড়া বাণিজ্যের সাম্রাজ্য! কেন্দ্রবিন্দুতে পাম্প অপারেটর আব্দুর রশিদ?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৮৬ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদন: সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টার অজানা তথ্য পাম্প অপারেটর আব্দুল রশিদকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর। আব্দুর রশিদ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করেছে সরকারকে দীর্ঘদিন ধরে কোয়াটারের ফ্লাট ভাড়া দিয়ে টাকা তুলতেন,কথাটি অবাস্তব মনে হলেও ঘটনা সঠিক । অনেকেই মনে করেন কথাটি মিথ্যা মিথ্যাকে ঘিরে সত্য কথা বেরিয়ে এসেছে আব্দুর রশিদের প্রতারণা।

আব্দুর রশিদ পদবী পাম্প অপারেটর দেখতে মনে হয় এক দরবেশ দাদা তার পিছনে রয়েছে মুছা পীর তাকে ভাড়া উঠিয়ে দিতেন আগে আব্দুর রশিদও কিছু পাইতেন, কথাটি মিথ্যা নয়, যখন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দৈনিক মজুরী ভিত্তিক অন্যান্য কর্মচারীদের নোটিশ দিলে বেরিয়ে এসেছে রশিদের ভাড়া বাণিজ্য ।

 

অনেকেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও কথাটি বাস্তবে পরিণত হয়েছে আব্দুর রশিদ সঙ্গে অনেকেই কথা বলে তার বাস্তবতা মিলেছে।

 

আব্দুর রশিদ পাম্প অপারেটর হিসেবে কত টাকা বেতন পায় তার মাসিক ব্যয়ের পরিমাণ অনেক বেশি আব্দুর রশিদ একজন মাদক সেবীও বটে কথাটি অবাস্তব নয় বাস্তবে পরিণত হয়েছে। আব্দুর রশিদ বেনসন সিগারেট ছাড়া খায় না, তাহলে তার বেতনের টাকা হিসাব করলে বুঝা যায় বাকি টাকা কোথা থেকে আসে, তার পরিবারের মাসিক খরচের হিসাব করলে তার বেতনের টাকায় কিছুই হয় না।

 

তাহলে আব্দুর রশিদের আয়ের উৎস কোথায় নিশ্চয়ই আব্দুর রশিদ একজন মাদক সেবী এবং মাদক বিক্রেতা সেটাও বটে আব্দুর রশিদের বুক মেডিকেলে টেস্ট করলেন শনাক্ত হবে মাদক সেবী কিনা।

দৈনিক মজুরি ভিত্তিক হিসেবে আব্দুর রশিদকে সোনালী ব্যাংক এস্টেট ডিভিশন নোটিশ দিয়েছেন অবৈধ ভাবে দখল ফ্লাট ছাড়ার জন্য। আব্দুর রশিদ কোয়াটারেই ভাড়া নিয়েছে, যেই লাউ সেই কদু,ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয় নাই ।

 

সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টারে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার বাহিনীকে লিখিতভাবে ক্ষমতা দিলে তারা অবৈধ দখলদারকে বাইর করতে সফল হবেন।

আব্দুর রশিদ কিছুতেই সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়াটার ছাড়তে ইচ্ছুক নয় কারণ এই কোয়াটার থেকে আয়ের উৎস আসে বলে সূত্রে জানা যায়।

আব্দুর রশিদ সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টার না ছেড়ে কোয়াটারেই বাসা ভাড়া নিয়েছেন জাতীয় স্টেডিয়াম শাখার সোনালী ব্যাংক পিএলসির ক্যাশিয়ার আনোয়ার হোসেনের বাসায়,তবুও সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টারে বাসা ছাড়বেনা আব্দুল রশিদ এই নিয়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। আব্দুর রশিদের পূর্বে অবৈধ দখলকৃত ফ্লাটে মালামাল তালা দিয়ে রাখিয়া বলাদ্দকৃত আনোয়ারের বাসায় ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন ।

 

এদিকে কোয়াটারের বাসিন্দারা বলেন বার বার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নোটিশ দেওয়ার পরেও কিভাবে ভাড়া দিলেন আনোয়ার,ভাড়া দেওয়া তো এটাও অপরাধ,আনোয়ার হোসেন কিভাবে ভাড়া দিলেন এটা আমাদের জানা নেই। কোয়াটারে বাসিন্দারা আরও বলেন আনোয়ার হোসেন নতুন ভাড়াটিয়াও উঠেছেন সেই ব্যক্তি একজন মতিঝিলে তেল বিক্রি করে সেই লোকটি ও রশিদের মাধ্যমে ভাড়া নিয়েছেন। বহিরাগতদের প্রবেশ করেছেন আব্দুর রশিদ তার বাণিজ্য ভাড়া দিয়ে কমিশন নেওয়া।

 

আব্দুর রশিদ এই তেল বিক্রেতাকে ভাড়া দিয়ে আরও আলোচনা সমালোচনার ঝড় তুলেছেন আনোয়ার যে বাসাটি থাকেন সেই ফ্লাটটিও তার নামে বরাদ্দ নয়,আনোয়ারের ফ্লাট বরাদ্দ অন্য বিল্ডিংয়ে সেই ফ্লাট আনোয়ার আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জোর করে উঠেছেন বলে সূত্রে জানা গেছে ।

 

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মনে করেন সরকারের মাল সাগরে ঢাল ,নোটিশের পরে কোন তৎপরতা নেই এদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছেন কোটি কোটি টাকা এর দায়ভার কে নিবে,ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নাকি দখলদাররা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল রশিদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে বক্তব্য বলেন আমি রশিদকে ভাড়া দেই নাই তাহলে আনোয়ার হোসেন মিথ্যা বললেন নাকি সত্য বললেন। অবৈধ ভাড়াটিয়ার বিষয়ে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পক্ষে থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য জানা যায়নি। কোয়ার্টারের বাসিন্দারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও রাজস্ব আদায় এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

সরকারি কোয়ার্টারেই গড়ে উঠেছে ভাড়া বাণিজ্যের সাম্রাজ্য! কেন্দ্রবিন্দুতে পাম্প অপারেটর আব্দুর রশিদ?

Update Time : ০৬:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদন: সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টার অজানা তথ্য পাম্প অপারেটর আব্দুল রশিদকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর। আব্দুর রশিদ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করেছে সরকারকে দীর্ঘদিন ধরে কোয়াটারের ফ্লাট ভাড়া দিয়ে টাকা তুলতেন,কথাটি অবাস্তব মনে হলেও ঘটনা সঠিক । অনেকেই মনে করেন কথাটি মিথ্যা মিথ্যাকে ঘিরে সত্য কথা বেরিয়ে এসেছে আব্দুর রশিদের প্রতারণা।

আব্দুর রশিদ পদবী পাম্প অপারেটর দেখতে মনে হয় এক দরবেশ দাদা তার পিছনে রয়েছে মুছা পীর তাকে ভাড়া উঠিয়ে দিতেন আগে আব্দুর রশিদও কিছু পাইতেন, কথাটি মিথ্যা নয়, যখন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দৈনিক মজুরী ভিত্তিক অন্যান্য কর্মচারীদের নোটিশ দিলে বেরিয়ে এসেছে রশিদের ভাড়া বাণিজ্য ।

 

অনেকেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও কথাটি বাস্তবে পরিণত হয়েছে আব্দুর রশিদ সঙ্গে অনেকেই কথা বলে তার বাস্তবতা মিলেছে।

 

আব্দুর রশিদ পাম্প অপারেটর হিসেবে কত টাকা বেতন পায় তার মাসিক ব্যয়ের পরিমাণ অনেক বেশি আব্দুর রশিদ একজন মাদক সেবীও বটে কথাটি অবাস্তব নয় বাস্তবে পরিণত হয়েছে। আব্দুর রশিদ বেনসন সিগারেট ছাড়া খায় না, তাহলে তার বেতনের টাকা হিসাব করলে বুঝা যায় বাকি টাকা কোথা থেকে আসে, তার পরিবারের মাসিক খরচের হিসাব করলে তার বেতনের টাকায় কিছুই হয় না।

 

তাহলে আব্দুর রশিদের আয়ের উৎস কোথায় নিশ্চয়ই আব্দুর রশিদ একজন মাদক সেবী এবং মাদক বিক্রেতা সেটাও বটে আব্দুর রশিদের বুক মেডিকেলে টেস্ট করলেন শনাক্ত হবে মাদক সেবী কিনা।

দৈনিক মজুরি ভিত্তিক হিসেবে আব্দুর রশিদকে সোনালী ব্যাংক এস্টেট ডিভিশন নোটিশ দিয়েছেন অবৈধ ভাবে দখল ফ্লাট ছাড়ার জন্য। আব্দুর রশিদ কোয়াটারেই ভাড়া নিয়েছে, যেই লাউ সেই কদু,ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয় নাই ।

 

সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টারে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার বাহিনীকে লিখিতভাবে ক্ষমতা দিলে তারা অবৈধ দখলদারকে বাইর করতে সফল হবেন।

আব্দুর রশিদ কিছুতেই সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়াটার ছাড়তে ইচ্ছুক নয় কারণ এই কোয়াটার থেকে আয়ের উৎস আসে বলে সূত্রে জানা যায়।

আব্দুর রশিদ সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টার না ছেড়ে কোয়াটারেই বাসা ভাড়া নিয়েছেন জাতীয় স্টেডিয়াম শাখার সোনালী ব্যাংক পিএলসির ক্যাশিয়ার আনোয়ার হোসেনের বাসায়,তবুও সোনালী ব্যাংক স্টাফ কোয়ার্টারে বাসা ছাড়বেনা আব্দুল রশিদ এই নিয়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। আব্দুর রশিদের পূর্বে অবৈধ দখলকৃত ফ্লাটে মালামাল তালা দিয়ে রাখিয়া বলাদ্দকৃত আনোয়ারের বাসায় ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন ।

 

এদিকে কোয়াটারের বাসিন্দারা বলেন বার বার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নোটিশ দেওয়ার পরেও কিভাবে ভাড়া দিলেন আনোয়ার,ভাড়া দেওয়া তো এটাও অপরাধ,আনোয়ার হোসেন কিভাবে ভাড়া দিলেন এটা আমাদের জানা নেই। কোয়াটারে বাসিন্দারা আরও বলেন আনোয়ার হোসেন নতুন ভাড়াটিয়াও উঠেছেন সেই ব্যক্তি একজন মতিঝিলে তেল বিক্রি করে সেই লোকটি ও রশিদের মাধ্যমে ভাড়া নিয়েছেন। বহিরাগতদের প্রবেশ করেছেন আব্দুর রশিদ তার বাণিজ্য ভাড়া দিয়ে কমিশন নেওয়া।

 

আব্দুর রশিদ এই তেল বিক্রেতাকে ভাড়া দিয়ে আরও আলোচনা সমালোচনার ঝড় তুলেছেন আনোয়ার যে বাসাটি থাকেন সেই ফ্লাটটিও তার নামে বরাদ্দ নয়,আনোয়ারের ফ্লাট বরাদ্দ অন্য বিল্ডিংয়ে সেই ফ্লাট আনোয়ার আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জোর করে উঠেছেন বলে সূত্রে জানা গেছে ।

 

ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মনে করেন সরকারের মাল সাগরে ঢাল ,নোটিশের পরে কোন তৎপরতা নেই এদিকে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছেন কোটি কোটি টাকা এর দায়ভার কে নিবে,ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নাকি দখলদাররা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল রশিদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে বক্তব্য বলেন আমি রশিদকে ভাড়া দেই নাই তাহলে আনোয়ার হোসেন মিথ্যা বললেন নাকি সত্য বললেন। অবৈধ ভাড়াটিয়ার বিষয়ে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পক্ষে থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য জানা যায়নি। কোয়ার্টারের বাসিন্দারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও রাজস্ব আদায় এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।