বাংলাদেশ ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনার-পাইকগাছা উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল একাধিক ভাবে সরকারি ডাক্তারদের রোগী সেবা আপ্যনের দুর্নীতির অর্থ বাণিজ্য বেড়ে চলেছে।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৬৩ Time View

 

(মোঃ মুজিবুর রহমান মল্লিক)<স্টাফ রিপোর্টার>

বিকাল বার্তা প্রতিদিন:

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালটির

সরকারি ডাক্তার মনো ইচ্ছায় রোগীদের সেবা আপ্যনে

করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে-ডাক্তারদের সাথে একটা বিশাল অসাধু চক্র জড়িত থাকায়

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দৃষ্টি আকর্ষন রাখছি

হাসপাতাল সরকারি দেওয়া একটা তালিকা আছে যে তালিকায় সরকার নির্দেশনা ডাক্তার ফি নির্ধারিত আছে কিন্তু দুঃখের বিষয় প্রকৃতিকভাবে সরকারি নির্ধারিত তালিকা সুরক্ষিত না রেখে রোগীদের সেবা আপ্যনে বিভিন্ন ধরনের কৌশলগতভাবে অর্থ বাণিজ্যের ব্যবসায়ী পরিণত হয়েছে,

 

সম্মানিত স্বাস্থ্য উপদেষ্টা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় বিকাল বার্তা পত্রিকার লেখনি হয়ে আপনাদের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল যারা বড় ডাক্তার হিসেবে পরিচিত

তারা ১৬ বছর যাবত স্বৈরাচার সরকারের অধীন দায়িত্ব পালনে পর্যাপ্ত পরিমাণ কালো টাকা বাণিজ্য করে টাকা রাখার জায়গা না থাকায় কোটি কোটি টাকা খরচ করে

নিজো জমির উপরে কয়েক তালা বিল্ডিং করে সু কৌশলে স্ত্রী ও বিভিন্ন নামীয় ক্লিনিক ডায়াবেটিক সেন্টার সহ হরেক রকম ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান খুলে নিয়ে বসে থাকায় কোনরকম ব্যস্ততায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল ডিউটি দায়িত্ব পালন করেই নিজো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকেন যে জন্য এই সমস্ত ডাক্তারদের বিভিন্ন স্তরে পরিবর্তন করে দেওয়া অতি জরুরী বলে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দৃষ্টি আকর্ষণ,একটা নিম্নবিত্ত দেশের ডাক্তার মানুষের রোগীদের অতিরিক্ত টাকা ফি দেওয়া অনেক কষ্টকর যে ডাক্তারের পরীক্ষা ছাড়া রোগ ধরার ক্ষমতা নাই সে ডাক্তারের ভিজিট নেওয়া অধিকার নেই-রিপোর্ট তো ডাক্তার তার ব্যবসা পত্রের সহায়তার জন্য করেছেন রিপোর্ট দেখতে ও রোগী হতে টাকা নেওয়া এটাতো এক ব্যভিচার যেহেতু ডাক্তার রোগীর অবস্থা দেখে ব্যবস্থাপত্র দিতে পারছে না তাই তিনি ডায়াগনস্টিক সেন্টার করেছেন সেজন্য এই টাকা ডাক্তারদেরী দেওয়ার কথা,ভোক্তা অধিদপ্তর এর কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ-আপনারা ডাক্তারদের আসল সার্টিফিকেট বের করুন-এখন ভুয়া ডাক্তারদের অভাব নাই

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুধু নই বাংলাদেশের সকল জায়গায় চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত না হয নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টিআকর্ষণ করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

খুলনার-পাইকগাছা উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল একাধিক ভাবে সরকারি ডাক্তারদের রোগী সেবা আপ্যনের দুর্নীতির অর্থ বাণিজ্য বেড়ে চলেছে।

Update Time : ০৭:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

 

(মোঃ মুজিবুর রহমান মল্লিক)<স্টাফ রিপোর্টার>

বিকাল বার্তা প্রতিদিন:

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালটির

সরকারি ডাক্তার মনো ইচ্ছায় রোগীদের সেবা আপ্যনে

করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে-ডাক্তারদের সাথে একটা বিশাল অসাধু চক্র জড়িত থাকায়

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দৃষ্টি আকর্ষন রাখছি

হাসপাতাল সরকারি দেওয়া একটা তালিকা আছে যে তালিকায় সরকার নির্দেশনা ডাক্তার ফি নির্ধারিত আছে কিন্তু দুঃখের বিষয় প্রকৃতিকভাবে সরকারি নির্ধারিত তালিকা সুরক্ষিত না রেখে রোগীদের সেবা আপ্যনে বিভিন্ন ধরনের কৌশলগতভাবে অর্থ বাণিজ্যের ব্যবসায়ী পরিণত হয়েছে,

 

সম্মানিত স্বাস্থ্য উপদেষ্টা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় বিকাল বার্তা পত্রিকার লেখনি হয়ে আপনাদের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল যারা বড় ডাক্তার হিসেবে পরিচিত

তারা ১৬ বছর যাবত স্বৈরাচার সরকারের অধীন দায়িত্ব পালনে পর্যাপ্ত পরিমাণ কালো টাকা বাণিজ্য করে টাকা রাখার জায়গা না থাকায় কোটি কোটি টাকা খরচ করে

নিজো জমির উপরে কয়েক তালা বিল্ডিং করে সু কৌশলে স্ত্রী ও বিভিন্ন নামীয় ক্লিনিক ডায়াবেটিক সেন্টার সহ হরেক রকম ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান খুলে নিয়ে বসে থাকায় কোনরকম ব্যস্ততায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল ডিউটি দায়িত্ব পালন করেই নিজো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকেন যে জন্য এই সমস্ত ডাক্তারদের বিভিন্ন স্তরে পরিবর্তন করে দেওয়া অতি জরুরী বলে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দৃষ্টি আকর্ষণ,একটা নিম্নবিত্ত দেশের ডাক্তার মানুষের রোগীদের অতিরিক্ত টাকা ফি দেওয়া অনেক কষ্টকর যে ডাক্তারের পরীক্ষা ছাড়া রোগ ধরার ক্ষমতা নাই সে ডাক্তারের ভিজিট নেওয়া অধিকার নেই-রিপোর্ট তো ডাক্তার তার ব্যবসা পত্রের সহায়তার জন্য করেছেন রিপোর্ট দেখতে ও রোগী হতে টাকা নেওয়া এটাতো এক ব্যভিচার যেহেতু ডাক্তার রোগীর অবস্থা দেখে ব্যবস্থাপত্র দিতে পারছে না তাই তিনি ডায়াগনস্টিক সেন্টার করেছেন সেজন্য এই টাকা ডাক্তারদেরী দেওয়ার কথা,ভোক্তা অধিদপ্তর এর কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ-আপনারা ডাক্তারদের আসল সার্টিফিকেট বের করুন-এখন ভুয়া ডাক্তারদের অভাব নাই

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুধু নই বাংলাদেশের সকল জায়গায় চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত না হয নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টিআকর্ষণ করছি।