
মো: হানিফ খন্দকার নরসিংদী:
নরসিংদী সদর উপজেলার শীল মান্দি ইউনিয়নের বাগহাটা, মোহাম্মদ রুহুল আমিন গাজীর দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যাবসা করে আসছিল ভূমিদস্যু দেলোয়ার খন্দকার ও তার সহযোগীরা । সূত্রে জানাযায় মোঃ রুহুল আমিন গাজী এখানে একটি ওয়ার্কশপ পরবর্তীতে স্থাপনা করেন, একটি খাবারের হোটেল । তারপরে হোটেলটি ভাড়া দেয় সারোয়ার মিয়া নামক একজন লোককে এখন ঢাকা সিলেট মহাসড়ক ছয় লেন রাস্তা নির্মাণের সময় হোটেলটি ভূমি অধিগ্রহণ আওতায় পড়ে এই হোটেলটি স্থাপনা বিল অবৈধভাবে দাবি করেন সারোয়ার মিয়া । কিন্তু প্রকৃতপক্ষে হোটেলটির মালিক রুহুল আমিন গাজী । এবং তিনি সরকারকে বাণিজ্যিক কর হিসেবে প্রায় আনুমানিক ১০/১৫ বছর ধরে বাণিজ্যিক কর দিয়ে আসছে। কিন্তু সারোয়ার মিয়া রুহুল আমিন গাজীর বিরুদ্ধে কোর্টে অভিযোগ দায়ের করার পর আদালত নরসিংদী সদর এসি ল্যান্ডকে দায়িত্ব দেন এই ঘটনায় গতকাল তদন্তের জন্য এসিল্যান্ট অফিস থেকে সার্বিয়ার এসে বাগহাটা বড় মসজিদ এলাকার গণ্যমান্য লোকজনের উপস্থিতিতে তদন্ত শুরু করে দরবারের মধ্যে বাগহাটা সাত্তারের মেয়ের জামাই সারোয়ার মিয়া ও দেলোয়ার খন্দকার, (পিতা:মৃত সিরাজ উদ্দিন খন্দকার), মনির হোসেন (পিতা :মৃত আলী আকবর ) ফাহাদ (পিতা :দেলোয়ার) , রবিউল ( পিতা :তোফাজ্জল) , হাবিবুর রহমান (পিতা :মৃত সাখত আলী আরাফাত), ও দেলোয়ার খন্দকার গং নামের কিছু ভাড়াটিয়া ভূমিদস্যু সন্ত্রাসী ভাড়া করে রুহুল আমিন গাজী ও তার ছেলে , আবির গাজী তার এক আত্মীয় মাসুদ ও মাছুমের উপর হামলা করে । এতে করে তারা শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং তাদের হোটেলেও ভাঙচুর করে। আর চাঁদাদাবি করেন চাঁদা না দিলে তাদের প্রাণহানি হুমকি দেয় দেলোয়ার খন্দকার গং । এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে সেকেরচর ফাঁড়ি থেকে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।এব্যাপারে নরসিংদী সদর থানায় উপস্থিত হয়ে স্থাপনা ও ভিট মালিক মোঃ রুহুল আমিন গাজি বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা যায়। উক্ত ঘটনা এলাকা চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে যেকোনো সময় আরে বড় ধরনের সহিংসতা ঘটতে পারে বলে সুধীমহল জানান।ভুক্তভোগী পরিবার দেলোয়ার গং দের গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমূল শাস্তি দাবী করছেন প্রশাসনের নিকট।
Reporter Name 























