বাংলাদেশ ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরবঙ্গে দিন দিন বাড়ছে অপরাধ চিরির বন্দর থানার ওসির ভূমিকা রহস্যজনক?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৮১ Time View

 

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

উত্তরবঙ্গের দিন দিন অপরাধ বাড়ছে প্রশাসন একটি পক্ষ নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেছেন প্রতিদিন কোথাও না কোথাও চলছে খুন ছিনতাই চাঁদাবাজি ডাকাতি নির্যাতন সহ নানা ধরনের অপরাধ।

৫ আগস্টের আগে পুরুষের প্রতি সাধারণ জনগণের অনাস্থা ছিল পাশে আগস্টের পর পুলিশকে সংস্কার করার নির্দেশ দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দুঃখজনক হলেও পুলিশ প্রশাসন হাতাহাতি অভ্যাসটা এখনো যায়নি আগামীতেও এই অভ্যাসটি যাবে কিনা তা নিয়ে বড় দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

 

 

দিনের বেলায় অস্ত্র নিয়ে ঘুরছে চিরির বন্দর থানা ৩নং ফতেজাংপুর ইউনিয়নে থানায় অভিযোগ করলে কোন প্রতিকার পাচ্ছে না সাধারণ জনগণ। ডিশ লাইনের ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দিনাজপুর জেলার চিরিরব বন্দর উপজেলার ৩নং ফতেজাংপুর ইউনিয়নের হাসিমপুর এলাকায় ডাকাত সরদার আবু গ্রুপের মধ্যে হত্যার চেষ্টা করেছেন আজিজুল হককে নামে এক ব্যক্তিকে আজিজুল হক এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে ।

 

 

প্রথমে আজিজুল হক কে চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেলে নেওয়া হলে রংপুর মেডিকেল শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ডিপ করার জখম অবস্থা দেখায় আজিজকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করে পাঠিয়ে দেন বর্তমানে আজিজুল হক ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন । অপরাধীরা এখনো এলাকায় ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘুরছে চিরির বন্দর থানা প্রশাসন একজন আসামিকেও গ্রেফতার করতে পারেনি।

 

 

চিরির বন্দর ৩নং ফতেজাংপুর ইউনিয়নের হাশিমপুর বাজার থেকে যাওয়ার সময় একটি রাস্তার বাশের ঝরে আজিজ কে একলা পেয়ে রাতের অন্ধকারে রাস্তায় গাছ ফালায় দিয়ে আটক করে মোটরসাইকেলের চাকায় বাস ঢুকায় দিয়ে ১০/ ১৫ জন মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করেছে এলাকার কুখ্যাত ডাকাত সরদার আবু সিদ্দিক সহ গ্রুপের লোকজনরা ।

 

 

একটি বাক্য আছে সেটা না বললেই নয়: চোরকে বলে চুরি কর, গৃহস্থ কে বলে সজাক থাক। বর্তমান অবস্থা হচ্ছে আসামি কে বলে এলাকায় থাকা বাদিকে আজিজুল হক কে বলে চিকিৎসা কর । বর্তমানে পরিস্থিতি হলো ভয়ানক স্বৈরাচার সরকারের সময় পুলিশ প্রশাসনের উপর সাধারণ মানুষের আস্থা ছিল না, বর্তমানে ৫ই আগস্টের পর পুলিশ প্রশাসনের উপর পরিবর্তনের আশা করছে সাধারণ জনগণ ।

 

 

 

আজিজের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারাত্মক জখম করে এবং দেশীয় অস্ত্র বলাম চাপাতি দিয়ে কোবাতে থাকেন শীর্ষ সন্ত্রাসী আবু বকর সিদ্দিক বাহিনীরা পরবর্তীতে আজিজুল হক মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সন্ত্রাসী ডাকাত সরদার আবু বক্কর সিদ্দিক গ্রুপ মনে করেছেন আজিজুল মৃত হয়েছেন পরে সন্ত্রাসী বাহিনীরা আজিজুল হককে রাস্তায় ফেলে চলে যান। “”একটি কথাই বলে রাখে আল্লাহ মানে কে””

 

 

 

এলাকাবাসী বলেন আমরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ভুগছি এই ধরনের সন্ত্রাসী খন্ডকর্ম আমরা এলাকায় দেখতে চাই না আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই দিনের বেলায় যদি অস্ত্র নিয়ে ঘুরাঘুরি করে তাহলে এলাকায় থাকাটাই দুষ্কর হয়ে পড়বে সাধারণ জনগণ।

 

 

 

এই ঘটনা পূর্ব জেরে ধরে সন্ত্রাসী আবু সিদ্দিক গ্রুপ আজিজুল হককে মারপিট করেন । ১৮/৮/২০২৫ ইং তারিখে চিরির বন্দর থানায় একটি এজাহার করতে গেলে এজাহার না নিয়ে আজিজুল হক কে ওসি বলেন কয়েকদিন পরে আসেন আমি নতুন এসেছি । এই এজাহার এটিও এখন থানার হিমাগারে। উক্ত মামলার এজাহারটি পত্রিকায় দেওয়া হলো। গত

৩১/৮/২০২৫ ইং তারিখে পুনরায় আবার বড় ধরনের আক্রমণ করেন যা বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল চিকিৎসাধীন আছেন।

 

 

বরাবর

অফিসার ইনচার্জ

চিরিরবন্দর থানা,

দিনাজপুর।

 

বিষয়ঃ এজাহার প্রসঙ্গে।

 

জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ আজিজুল হক (৪৫), জাতীয় পরিচয় পত্র নং-১৯৩১৪৫১১৬৩, পিতা-মৃত আব্দুল জলিল, সাং-বড় হাশিমপুর (সরকার পাড়া), থানা-চিরিরবন্দর, জেলা-দিনাজপুর থানায় হাজির হইয়া আসামী-১। মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে আবু (৪৮), পিতা-মৃত মোহাম্মদ আলী ওরফে বাইশালু, ২। মোঃ আকতার হোসেন (৪৭), পিতা-মৃত বদিউজ্জামান, ৩। মোহাঃ মোমিনা বেগম (৪৮), স্বামী-মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে আবু, ৪। মোছাঃ চায়না বেগম (৪৫), স্বামী-মোঃ আকতার হোসেন, সর্ব সাং-বড় হাশিমপুর (সরকার পাড়া), থানা-চিরিরবন্দর, জেলা-দিনাজপুরগণ সহ আরও অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে এজাহার করিতেছি যে, ১নং আসামী ও তার ছেলে ইতিপূর্বে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করিলে আমি তাহাদের বিরুদ্ধে জি.আর-৩৩৫/২০১৯ (চিরিরবন্দর) ৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩০৭/৫০৬(২) মামলা আনয়ন করি। পরবর্তীতে উক্ত মামলা তোলার জন্য ১নং আসামী ও তার ছেলে আমাকে প্রাণে মারার হুমকি প্রদান করিলে অত্র থানায় অভিযোগ করিলে উক্ত অভিযোগটি তদন্তের প্রেক্ষিতে এন.জি.আর ৩০/২০২০ (চিরিরবন্দর) ৫০৬(২) মামলা হয়। উক্ত মামলা দুটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রহিয়াছে। উল্লেখ্য যে ইতি পূর্বে ১নং আসামী আগ্নেয়ারসহ হাতেনাতে ধৃত হইয়া সাজা ভোগ করিয়াছে এবং ২নং আসামীর বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ এলাকার একাধিক জায়গাজনি জবরদখলের মারামারির মামলা রহিয়াছে। বর্তমানে ১/২নং আসামীদ্বয় ও তাহাদের দলীয় সঙ্গীয় সন্ত্রাসীদের সহায়তায় এলাকায় বিভিন্নভাবে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার প্রভাব বিস্তার করিয়া এমনকি এলাকার জমি জবর দখল করার সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে। এলাকায় কিছু লোকজনকে প্রকাশ্যে ভয়ভীতি দেখাইয়া বিভিন্নভাবে অর্থ হাতিয়ে নিতেছে। উক্ত বিষয়গুলি নিয়ে আমি প্রতিবাদ করায় উপরোক্ত আসামীগণ আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া গত-১৮/০৮/২০২৫ ইং তারিখে সকাল অনুমান ৯০০০ ঘটিকার সময় আসামীগণ বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হইয়া একই সাধারণ উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পূর্ব প্রস্তুতি সহকারে ১নং আসামী তাহার ডান হাতে থাকা রামদা, বাম হাতে থাকা বল্লম, ২নং আসামীর ডান হাতে থাকা রামদা ও বাম হাতে থাকা পশুকুড়াল, ৩নং আসামীর হাতে থাক মাছ মারার সুচালো কোচা, ৪নং আসামীর হাতে থাকা লাঠি লইয়া এবং অজ্ঞাতনামা আসামীগণ তাহাদের হাতে লাঠি-সোঠা লইয়া আমার বসতবাড়ীর খুলিয়ানে অনধিকার প্রবেশ করিয়া ১/২নং আসামী চিৎকার করিয়া বলে যে, ব্যাটাকে আমাদের কাজে বাধা প্রদান করার খাদ চিরতরে মিটিয়া দাও বলিয়া ১নং আসামী তাহার হাতে থাকা বল্লম দিয়া আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথা বরাবর আঘাত করিলে আমি মাথা সরাইয়্য নেওয়ার ফলে আমি প্রাণে বাচিয়া যাই। ৪নং আসামী লাঠি যারা আমাকে এলোপাথারী মারপিট করিতে থাকে। আমি প্রাণের ভয়ে বাড়ীতে প্রবেশ করিয়া বাড়ীর সদর দরজার গেইট বন্ধ করিয়া দেই। আসামীগণ তাহাদের হাতে থাকা রামদা, পশু কুড়াল, বল্লম, মাছ মারা সুচালো কোচা এবং লাঠি দিয়া ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করিয়া আমার বসতনাড়ীর সদর দরজার গেটে এবং বসত ঘরের জানালা ভাংচুর ও তান্ডব চালাইয়া প্রায় ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা ক্ষতি সাধন করে। আসামীগণের উক্ত ভাঙবের কারণে কেহ আগাইয়া আসিতে সাহস পায় নাই। ১/২নং আসামীদ্বয় সাক্ষীগণের সম্মুখে তাহাদের হাতে থাকা বল্লম, রামদা উচাইয়া প্রকাশ করেন যে, আমাকে বা আমার পরিবারের লোকজনদেরকে বলে যে, আমাকে একাকী পাইলে প্রাণে মারিয়া ফেলিবে।

 

 

উক্ত ঘটনা সাক্ষী ১। মোঃ হান্নান শাহ্ হিরা (৩২), পিতা-মৃত খয়রাত হোসেন, ২। মোঃ জিকরুল হক (৬৫), পিতা-মৃত লালু মোহাম্মদ, ৩। মোঃ আকতার হোসেন (৩৮), পিতা-মোঃ আব্দুল জলিল, ৪। মোঃ জিকরুল হক (৭০), পিতা-মৃত মোবারক আলী, সর্ব সাং-বড় হাশিমপুর, থানা-চিরিরবন্দর, জেলা-দিনাজপুরগণ সহ অনেকেই ঘটনা দেখিয়াছে, শুনিয়াছে। আমিল স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করি। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ্য থাকায় এবং পরিবারের লোকজনের সহিত পরামর্শ করিয়া থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করিতে কিছুটা অনিচ্ছাকৃত বিলম্ব হইল। বিধায় প্রার্থনা এই যে, উপরোক্ত অবস্থাক্রমে আসামীগণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে জনাবের মর্জি হয়।

 

বিনীত নিবেদক

(মোঃ আজিজুল হক)

মোবাঃ ০১৭১৩-৬৬২৩৯৫

 

 

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

jogo hosterbd

Popular Post
error: Content is protected !!

উত্তরবঙ্গে দিন দিন বাড়ছে অপরাধ চিরির বন্দর থানার ওসির ভূমিকা রহস্যজনক?

Update Time : ০৪:২৫:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

দিনাজপুর প্রতিনিধি:

উত্তরবঙ্গের দিন দিন অপরাধ বাড়ছে প্রশাসন একটি পক্ষ নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেছেন প্রতিদিন কোথাও না কোথাও চলছে খুন ছিনতাই চাঁদাবাজি ডাকাতি নির্যাতন সহ নানা ধরনের অপরাধ।

৫ আগস্টের আগে পুরুষের প্রতি সাধারণ জনগণের অনাস্থা ছিল পাশে আগস্টের পর পুলিশকে সংস্কার করার নির্দেশ দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দুঃখজনক হলেও পুলিশ প্রশাসন হাতাহাতি অভ্যাসটা এখনো যায়নি আগামীতেও এই অভ্যাসটি যাবে কিনা তা নিয়ে বড় দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

 

 

দিনের বেলায় অস্ত্র নিয়ে ঘুরছে চিরির বন্দর থানা ৩নং ফতেজাংপুর ইউনিয়নে থানায় অভিযোগ করলে কোন প্রতিকার পাচ্ছে না সাধারণ জনগণ। ডিশ লাইনের ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দিনাজপুর জেলার চিরিরব বন্দর উপজেলার ৩নং ফতেজাংপুর ইউনিয়নের হাসিমপুর এলাকায় ডাকাত সরদার আবু গ্রুপের মধ্যে হত্যার চেষ্টা করেছেন আজিজুল হককে নামে এক ব্যক্তিকে আজিজুল হক এখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে ।

 

 

প্রথমে আজিজুল হক কে চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেলে নেওয়া হলে রংপুর মেডিকেল শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ডিপ করার জখম অবস্থা দেখায় আজিজকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করে পাঠিয়ে দেন বর্তমানে আজিজুল হক ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন । অপরাধীরা এখনো এলাকায় ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘুরছে চিরির বন্দর থানা প্রশাসন একজন আসামিকেও গ্রেফতার করতে পারেনি।

 

 

চিরির বন্দর ৩নং ফতেজাংপুর ইউনিয়নের হাশিমপুর বাজার থেকে যাওয়ার সময় একটি রাস্তার বাশের ঝরে আজিজ কে একলা পেয়ে রাতের অন্ধকারে রাস্তায় গাছ ফালায় দিয়ে আটক করে মোটরসাইকেলের চাকায় বাস ঢুকায় দিয়ে ১০/ ১৫ জন মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করেছে এলাকার কুখ্যাত ডাকাত সরদার আবু সিদ্দিক সহ গ্রুপের লোকজনরা ।

 

 

একটি বাক্য আছে সেটা না বললেই নয়: চোরকে বলে চুরি কর, গৃহস্থ কে বলে সজাক থাক। বর্তমান অবস্থা হচ্ছে আসামি কে বলে এলাকায় থাকা বাদিকে আজিজুল হক কে বলে চিকিৎসা কর । বর্তমানে পরিস্থিতি হলো ভয়ানক স্বৈরাচার সরকারের সময় পুলিশ প্রশাসনের উপর সাধারণ মানুষের আস্থা ছিল না, বর্তমানে ৫ই আগস্টের পর পুলিশ প্রশাসনের উপর পরিবর্তনের আশা করছে সাধারণ জনগণ ।

 

 

 

আজিজের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারাত্মক জখম করে এবং দেশীয় অস্ত্র বলাম চাপাতি দিয়ে কোবাতে থাকেন শীর্ষ সন্ত্রাসী আবু বকর সিদ্দিক বাহিনীরা পরবর্তীতে আজিজুল হক মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সন্ত্রাসী ডাকাত সরদার আবু বক্কর সিদ্দিক গ্রুপ মনে করেছেন আজিজুল মৃত হয়েছেন পরে সন্ত্রাসী বাহিনীরা আজিজুল হককে রাস্তায় ফেলে চলে যান। “”একটি কথাই বলে রাখে আল্লাহ মানে কে””

 

 

 

এলাকাবাসী বলেন আমরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ভুগছি এই ধরনের সন্ত্রাসী খন্ডকর্ম আমরা এলাকায় দেখতে চাই না আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই দিনের বেলায় যদি অস্ত্র নিয়ে ঘুরাঘুরি করে তাহলে এলাকায় থাকাটাই দুষ্কর হয়ে পড়বে সাধারণ জনগণ।

 

 

 

এই ঘটনা পূর্ব জেরে ধরে সন্ত্রাসী আবু সিদ্দিক গ্রুপ আজিজুল হককে মারপিট করেন । ১৮/৮/২০২৫ ইং তারিখে চিরির বন্দর থানায় একটি এজাহার করতে গেলে এজাহার না নিয়ে আজিজুল হক কে ওসি বলেন কয়েকদিন পরে আসেন আমি নতুন এসেছি । এই এজাহার এটিও এখন থানার হিমাগারে। উক্ত মামলার এজাহারটি পত্রিকায় দেওয়া হলো। গত

৩১/৮/২০২৫ ইং তারিখে পুনরায় আবার বড় ধরনের আক্রমণ করেন যা বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল চিকিৎসাধীন আছেন।

 

 

বরাবর

অফিসার ইনচার্জ

চিরিরবন্দর থানা,

দিনাজপুর।

 

বিষয়ঃ এজাহার প্রসঙ্গে।

 

জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ আজিজুল হক (৪৫), জাতীয় পরিচয় পত্র নং-১৯৩১৪৫১১৬৩, পিতা-মৃত আব্দুল জলিল, সাং-বড় হাশিমপুর (সরকার পাড়া), থানা-চিরিরবন্দর, জেলা-দিনাজপুর থানায় হাজির হইয়া আসামী-১। মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে আবু (৪৮), পিতা-মৃত মোহাম্মদ আলী ওরফে বাইশালু, ২। মোঃ আকতার হোসেন (৪৭), পিতা-মৃত বদিউজ্জামান, ৩। মোহাঃ মোমিনা বেগম (৪৮), স্বামী-মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে আবু, ৪। মোছাঃ চায়না বেগম (৪৫), স্বামী-মোঃ আকতার হোসেন, সর্ব সাং-বড় হাশিমপুর (সরকার পাড়া), থানা-চিরিরবন্দর, জেলা-দিনাজপুরগণ সহ আরও অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে এজাহার করিতেছি যে, ১নং আসামী ও তার ছেলে ইতিপূর্বে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করিলে আমি তাহাদের বিরুদ্ধে জি.আর-৩৩৫/২০১৯ (চিরিরবন্দর) ৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩০৭/৫০৬(২) মামলা আনয়ন করি। পরবর্তীতে উক্ত মামলা তোলার জন্য ১নং আসামী ও তার ছেলে আমাকে প্রাণে মারার হুমকি প্রদান করিলে অত্র থানায় অভিযোগ করিলে উক্ত অভিযোগটি তদন্তের প্রেক্ষিতে এন.জি.আর ৩০/২০২০ (চিরিরবন্দর) ৫০৬(২) মামলা হয়। উক্ত মামলা দুটি বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রহিয়াছে। উল্লেখ্য যে ইতি পূর্বে ১নং আসামী আগ্নেয়ারসহ হাতেনাতে ধৃত হইয়া সাজা ভোগ করিয়াছে এবং ২নং আসামীর বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ এলাকার একাধিক জায়গাজনি জবরদখলের মারামারির মামলা রহিয়াছে। বর্তমানে ১/২নং আসামীদ্বয় ও তাহাদের দলীয় সঙ্গীয় সন্ত্রাসীদের সহায়তায় এলাকায় বিভিন্নভাবে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার প্রভাব বিস্তার করিয়া এমনকি এলাকার জমি জবর দখল করার সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে। এলাকায় কিছু লোকজনকে প্রকাশ্যে ভয়ভীতি দেখাইয়া বিভিন্নভাবে অর্থ হাতিয়ে নিতেছে। উক্ত বিষয়গুলি নিয়ে আমি প্রতিবাদ করায় উপরোক্ত আসামীগণ আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া গত-১৮/০৮/২০২৫ ইং তারিখে সকাল অনুমান ৯০০০ ঘটিকার সময় আসামীগণ বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হইয়া একই সাধারণ উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পূর্ব প্রস্তুতি সহকারে ১নং আসামী তাহার ডান হাতে থাকা রামদা, বাম হাতে থাকা বল্লম, ২নং আসামীর ডান হাতে থাকা রামদা ও বাম হাতে থাকা পশুকুড়াল, ৩নং আসামীর হাতে থাক মাছ মারার সুচালো কোচা, ৪নং আসামীর হাতে থাকা লাঠি লইয়া এবং অজ্ঞাতনামা আসামীগণ তাহাদের হাতে লাঠি-সোঠা লইয়া আমার বসতবাড়ীর খুলিয়ানে অনধিকার প্রবেশ করিয়া ১/২নং আসামী চিৎকার করিয়া বলে যে, ব্যাটাকে আমাদের কাজে বাধা প্রদান করার খাদ চিরতরে মিটিয়া দাও বলিয়া ১নং আসামী তাহার হাতে থাকা বল্লম দিয়া আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথা বরাবর আঘাত করিলে আমি মাথা সরাইয়্য নেওয়ার ফলে আমি প্রাণে বাচিয়া যাই। ৪নং আসামী লাঠি যারা আমাকে এলোপাথারী মারপিট করিতে থাকে। আমি প্রাণের ভয়ে বাড়ীতে প্রবেশ করিয়া বাড়ীর সদর দরজার গেইট বন্ধ করিয়া দেই। আসামীগণ তাহাদের হাতে থাকা রামদা, পশু কুড়াল, বল্লম, মাছ মারা সুচালো কোচা এবং লাঠি দিয়া ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করিয়া আমার বসতনাড়ীর সদর দরজার গেটে এবং বসত ঘরের জানালা ভাংচুর ও তান্ডব চালাইয়া প্রায় ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা ক্ষতি সাধন করে। আসামীগণের উক্ত ভাঙবের কারণে কেহ আগাইয়া আসিতে সাহস পায় নাই। ১/২নং আসামীদ্বয় সাক্ষীগণের সম্মুখে তাহাদের হাতে থাকা বল্লম, রামদা উচাইয়া প্রকাশ করেন যে, আমাকে বা আমার পরিবারের লোকজনদেরকে বলে যে, আমাকে একাকী পাইলে প্রাণে মারিয়া ফেলিবে।

 

 

উক্ত ঘটনা সাক্ষী ১। মোঃ হান্নান শাহ্ হিরা (৩২), পিতা-মৃত খয়রাত হোসেন, ২। মোঃ জিকরুল হক (৬৫), পিতা-মৃত লালু মোহাম্মদ, ৩। মোঃ আকতার হোসেন (৩৮), পিতা-মোঃ আব্দুল জলিল, ৪। মোঃ জিকরুল হক (৭০), পিতা-মৃত মোবারক আলী, সর্ব সাং-বড় হাশিমপুর, থানা-চিরিরবন্দর, জেলা-দিনাজপুরগণ সহ অনেকেই ঘটনা দেখিয়াছে, শুনিয়াছে। আমিল স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করি। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ্য থাকায় এবং পরিবারের লোকজনের সহিত পরামর্শ করিয়া থানায় আসিয়া এজাহার দায়ের করিতে কিছুটা অনিচ্ছাকৃত বিলম্ব হইল। বিধায় প্রার্থনা এই যে, উপরোক্ত অবস্থাক্রমে আসামীগণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে জনাবের মর্জি হয়।

 

বিনীত নিবেদক

(মোঃ আজিজুল হক)

মোবাঃ ০১৭১৩-৬৬২৩৯৫