
স্টাফ রিপোর্টার:
সিরাজদিখান থানার ওসি (তদন্ত) আজগর আলীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার লালসার শিকার হয়ে এক গৃহবধূর সংসার ভাঙার উপক্রম হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ ঢাকা জেলার পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, তবে এখনো পর্যন্ত কোন প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০/১০/২০২১ ইং তারিখ হতে ১৫/০৭/২০২৩ইং সাল পর্যন্ত সিরাজদিখান থানা সংলগ্ন গৃহবধূর স্বামীর চারতলা বিল্ডিং বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে ছিল। সিরাজদিখান থানায় চাকুরির পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই সময়ের সিরাজদিখান থানার ওসি তদন্ত আজগর আলী ( গ্রামের বাড়ি নড়াইল) ওই গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিভিন্ন সময় বাসায় স্বামী সন্তান না থাকার সুযোগেনানা প্রলোভনে ও নিজে পুলিশ এই ভয় দেখিয়ে জোড় করে ধর্ষন করতো। ধীরে ধীরে বিভিন্ন অজুহাতে তার সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তীতে ঘনিষ্ঠতার নামে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগও তোলেন ভুক্তভোগী নারী ।
অভিযোগকারী গৃহবধূ জানান, আমি বিবাহিত এবং সংসারী নারী। ওসি আজগর হোসেনের অনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তিনি বিভিন্নভাবে আমাকে ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। এমনকি আমার স্বামী ও সংসার ভেঙে দেওয়র হুমকিও দেন। ওসি আজগর আলীর স্ত্রী লাকি সুলতানা আমার স্বামীকে বিভিন্ন কুরুচি কথা বলে আমার দোষ ধরে তার স্বামী আজগর হোসেন কে নিরাপরাধ প্রমান করতে চান। আমার প্রতি অন্যায় করা ওসি আজগর হোসেনর আমি বিচার চাই।
তিনি আরও বলেন, নিজেকে ও পরিবারকে রক্ষার জন্য আমি পুলিশ কমিশনার বরাবর ২১/১০২০২৪ ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ দিই, কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো তদন্ত বা পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমি এখন ভয় আর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।
এ বিষয়ে ওসি (তদন্ত) আজগর আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
স্থানীয় সচেতন মহল বলেন, একজন পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যদি এমন আচরণে লিপ্ত হন, তাহলে তা পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করে। এদিকে অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত পুনঃতদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
Reporter Name 






















