
স্টাফ রিপোর্টার: স্বৈরাচার সরকারের দমন-পীড়ন, গুম-খুন ও মিথ্যা মামলার আতঙ্ক উপেক্ষা করে রাজপথ আঁকড়ে থাকা এক নাম—মোঃ আক্তার হোসেন। রাজধানীর মতিঝিল থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের সম্মুখসারিতে থেকে দলের জন্য জীবন বাজি রেখে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অপরাধে আক্তার হোসেন একাধিকবার গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হন। প্রাণের ভয়ে নিজ বাসা ছেড়ে দিনের পর দিন পালিয়ে থাকতে হয়েছে তাকে। কখনো রাস্তার ধারে, কখনো আত্মীয়স্বজনের আশ্রয়ে রাত কাটিয়ে তিনি আন্দোলনের আগুন জ্বালিয়ে রেখেছেন।
মতিঝিল থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, আক্তার হোসেনের নেতৃত্বেই ঝুঁকিপূর্ণ মিছিল-মিটিং সংগঠিত হয়েছে। পুলিশের কড়া নজরদারি, হামলা ও গ্রেপ্তারের মধ্যেও তিনি কর্মীদের সামনে রেখে রাজপথে থেকেছেন। তার নেতৃত্বের ফলেই আজ মতিঝিল থানা এলাকায় স্বৈরাচারী বাহিনীর নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে সাহস পাচ্ছে না বলে দাবি করেন বিএনপি কর্মীরা।
বর্তমানে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা আক্তার হোসেনকে তৃণমূল আন্দোলনের প্রধান শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
৫ আগস্টের পর থেকে রাজনৈতিক আলোচনা সভা, প্রতিবাদ মিছিল ও যেকোনো হঠাৎ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি সরাসরি মাঠে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দলীয় সূত্র জানায়, নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কর্মীদের খাবার, যাতায়াত ও চিকিৎসা ব্যয় বহন করছেন তিনি। দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোয় তৃণমূলে আক্তার হোসেনের প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
এ বিষয়ে আক্তার হোসেন স্পষ্ট ভাষায় বলেন,
“১৭ বছর ধরে আমাদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে—গুম, খুন, মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনীতি দমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আমরা ভাঙিনি।”
তিনি আরও দাবি করেন, আসন্ন নির্বাচনে মতিঝিল থানা এলাকায় বিএনপি কমপক্ষে ৯০ শতাংশ ভোট পাবে।
“দিনরাত মাঠে আছি। ইনশাল্লাহ, আমাদের নেতা মির্জা আব্বাসকে বিজয়ের মালা পরিয়ে জাতীয় সংসদে পাঠাবো,”—বলেছেন তিনি।
শেষে সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্যে আক্তার হোসেন বলেন,“সত্য লেখেন, আমাদের জন্য দোয়া করেন। লড়াই এখনও শেষ হয়নি।”
Reporter Name 
























