
নবীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজকে সামনে রেখে আপনি আর কতদিন রাজনীতির আগুনে রক্ত ঝরাবেন? অতীতের ভুল, বিভাজন ও প্রতিহিংসা ভুলে ২০২৬ সালের নতুন বছরে ঐক্য ফিরিয়ে দিন—এটাই আজ নবীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজের দাবি।
আমাদের অপরাধ কী? ❓
সত্য বলা? অন্যায়ের প্রতিবাদ করা? নাকি গুণী ও সম্মানিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো?
**নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—
সাবেক দৈনিক বাংলা বাজার পত্রিকার প্রতিনিধি, রানীগঞ্জ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলাউর রহমান স্যার সম্মানহানির ভয়ে নিজ দায়িত্ব থেকে সরে যেতে বাধ্য হন।
**দৈনিক যুগান্তর-এর সাবেক নবীগঞ্জ প্রতিনিধি ও সাবেক শিক্ষক সাদিকুর ইসলাম ২০২২ সালে অনিয়মের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর দেওয়ার “অপরাধে” বহিষ্কৃত হন।
**নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মরহুম তোফাজ্জল হোসেন ২০২১ সালে নির্বাহী সদস্যদের আনা ২০টি অভিযোগের চাপে পদত্যাগে বাধ্য হন, পরবর্তীতে ২০২২ সালে তাকেও বহিষ্কার করা হয়।
আইনি লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পরও, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এটিএম সালাম গংদের ব্যবহার করে প্রেসক্লাব নির্বাচন আয়োজন—এ কি সাংবাদিকতার নৈতিকতা?
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে বহু শ্রদ্ধাভাজন সিনিয়র সাংবাদিক থাকা সত্ত্বেও বারবার আপনিই কেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার?
২০২২ সালে প্রধান নির্বাচন কমিশন থাকা অবস্থায় আপনি কেন প্রধান আসামি?
২০২৩ সালে নির্বাচন না দিয়ে কেন “সিলেকশন কমিটি” গঠন করে নবীগঞ্জকে বারবার অপমান ও বিতর্কে জড়ানো হলো?
শেষ পর্যন্ত হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের মধ্যস্থতায় দুটি কমিটি বিলুপ্ত হয়—এটাই প্রমাণ করে, সমস্যার মূল কোথায়।
নবীগঞ্জে গুণীজন আছেন, যোগ্য সাংবাদিক আছেন—কিন্তু তাদের সম্মান নেই।
এই সম্মান ফিরিয়ে আনতেই আমরা লড়াই করছি।
স্পষ্ট করে বলতে চাই—
নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব কোনো ব্যক্তির পৈতৃক সম্পত্তি নয়।
এখানে চলবে আইন ও ন্যায়,
চলবে না ক্ষমতার খামখেয়ালি ও স্বেচ্ছাচারিতা।
নবীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ ঐক্য চায়, অপমান নয়।
সম্মান চায়, দমন নয়।
ন্যায় চায়, ক্ষমতার দম্ভ নয়।
একজন সাবেক সভাপতি
নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব
Reporter Name 























