
* দিনে-দুপুরে বাবাকে গুলি করে হত্যা: যুবলীগ সন্ত্রাসী নয়নের বিচার চাই?
* বাকি আসামি ধরতে ব্যর্থ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ক্ষুব্ধ পরিবার ও ব্যবসায়ী মহল?
স্টাফ রিপোর্টার :
রাজধানীর শ্যামবাজার এখন কি খুনিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল? যেখানে প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ গুলি করে খুন হয়, আর খুনির সহযোগীরা বুক ফুলিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়—এমন ভয়াবহ চিত্রই আজ দৃশ্যমান।
দিনদুপুরে শ্যামবাজারে ব্যবসায়ী মরহুম আব্দুল রহমানকে গুলি করে হত্যার এক মাস পার হলেও এখনো সব আসামিকে গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার। প্রশ্ন উঠেছে তবে কি প্রভাবশালীদের ছায়াতলেই খুনিরা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে?
নিহতের ছেলে মোঃ শাকিল ভুঁইয়া অভিযোগ করে বলেন,
“এই হত্যাকাণ্ডের মূল ১ নম্বর অভিযুক্ত যুবলীগের শীর্ষ সন্ত্রাসী নয়ন গ্রেপ্তার হলেও রহস্যজনকভাবে তাকে রক্ষা করার চেষ্টা চলছে। অথচ তার সহযোগীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে পুলিশ যেন কিছুই দেখছে না।”
ঘটনার পর একাধিকবার রিমান্ড ও জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলা হলেও তদন্তে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। পরিবারের দাবি, এসব কার্যক্রম শুধুই লোক দেখানো। খোদ নয়ন স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডে সে ও তার সহযোগীরা জড়িত তারপরও সহযোগী খুনিরা অধরা থাকায় জনমনে তৈরি হয়েছে তীব্র সন্দেহ।
ক্ষোভ প্রকাশ করে শাকিল ভুঁইয়া আরও বলেন,
“আমার বাবাকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অথচ আজও বাকি খুনিরা ধরা পড়েনি। এটাই কি নতুন বাংলাদেশ? এটাই কি আইনের শাসন?”
তিনি বলেন, প্রশাসনের এই নীরবতা খুনিদের আরও সাহসী করছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই এমন বার্তা দিচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, শ্যামবাজার এলাকায় সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে। প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে সামনে আরও রক্ত ঝরবে এমন শঙ্কা তাদের।
নিহতের পরিবার প্রধান উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা ও আইজিপি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জোরালো দাবি জানিয়েছে
* আর নাটক নয়—বিচার চাই
* আর আশ্বাস নয়—গ্রেপ্তার চাই
* আর দেরি নয়—দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই
সচেতন মহলের মন্তব্য,
“যতদিন পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা না হবে, ততদিন এটি রাষ্ট্রের ব্যর্থতার এক জ্বলন্ত দলিল হিসেবেই বিবেচিত হবে।”
Reporter Name 






















