
স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা
রাজধানীর সূত্রাপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যবসায়ী আব্দুর রহমানকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অন্যতম আসামি সাইফুল ইসলাম রুবেল এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। প্রশ্ন উঠেছে রুবেল কি পলাতক, নাকি পুলিশি ছত্রছায়ায় নিরাপদে আছে?
সূত্রাপুর থানা পুলিশ প্রতিবার একই মুখস্থ বুলি আওড়াচ্ছে।
“প্রক্রিয়া চলছে।”
কিন্তু নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর প্রশ্ন এই ‘প্রক্রিয়া’ কি আসামি বাঁচানোর প্রক্রিয়া?
বাদীর অভিযোগ আরও ভয়াবহ। তিনি জানান,
“প্রধান আসামিকে বারবার রিমান্ডে এনে নাটক সাজানো হয়েছে। শেষে জামাই আদরে জেলহাজতে পাঠিয়ে দায় শেষ।”
তদন্তে দায়িত্বরত ওসি ও ওসি (তদন্ত)-এর কর্মকাণ্ডকে এলাকাবাসী বলছেন চরম রহস্যজনক ও সন্দেহজনক। কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই, নেই আসামি ধরার আন্তরিকতা। বারবার প্রশ্ন করলেও পুলিশ শুধু সময় নেয়, জবাব দেয় না।
অন্যদিকে, র্যাব মাত্র এক দিনের রিমান্ডেই আসামি নয়নের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার করেছে, উদ্ধার করেছে অবৈধ অস্ত্র। এক দিনে যা সম্ভব, তা মাসের পর মাসে থানা পুলিশ কেন পারছে না?
এই ব্যর্থতা কি অযোগ্যতা—নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অবহেলা?
এলাকাবাসীর কণ্ঠে এখন একটাই প্রশ্ন।
* সূত্রাপুর থানা কি জনগণের নিরাপত্তার জন্য, নাকি খুনিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল?
* রুবেলকে ধরতে না পারা কি ব্যর্থতা, নাকি না ধরার নির্দেশ আছে?
নিহতের পরিবার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন
তারা আর কোনো আশ্বাস, সান্ত্বনা বা “প্রক্রিয়া চলছে” শুনতে চায় না। তারা চায় অবিলম্বে রুবেলকে গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃশ্যমান বিচার।
অন্যথায়, এই হত্যাকাণ্ডও ঢাকার অসংখ্য বিচারহীন খুনের তালিকায় যুক্ত হবে।
আর সূত্রাপুর থানা পুলিশকেই ইতিহাস কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে।
Reporter Name 























