
বিশেষ প্রতিবেদক:: ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর পুলিশের নিস্ক্রিয়তার কারনে সিলেটের জুয়ারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আইন শৃংখলা বাহিনীসহ কাউকেই তারা তোয়াক্কা করছেনা। এই তালিকায় প্রথমেই আছে দক্ষিণ সুরমায় ডেবিল জুয়াড়ী অন্তর। কুমিল্লা পট্টির পুরো নিয়ন্ত্রণ তার দখলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিলেট এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানার আওতাধীন ২৬নং ওয়ার্ডের ভার্থখলা কুমিল্লা পট্টিতে রয়েছে বড় ধরনের জুয়ার বোর্ড, এটি পরিচালনা করে অন্তর নামের একজন, তীর, ঝান্ডমুন্ডসহ বিভিন্ন ধরনের আইটেমে এখানে জুয়া চলে দিনরাত। এই কুমিল্লা পট্টিতে আইনশৃংখলা বাহিনী প্রবেশ করতে ভয় পায়।
এখানে রিতীমতো একটি কিশোর গ্যাং বাহিনী রয়েছে, যাদের হাতে বিভিন্ন সময়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন এ্যাশল্ট হতে হয়েছে। এই বাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছে জুয়ারী অন্তর। তাকে শেল্টার দিচ্ছেন প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতা ও সালিশ বিচারক হাজী মইনুল ইসলাম। যেকারনে এখানকার বাসিন্দারা অপরাধমূলক যেকোনো ধরনের কাজ করেও পুলিশ এ্যাশল্ট করতে তাদের কোনো অসুবিধা হয়না। এই কুমিল্লা পট্টি জুয়া-মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের ভয়ংকর এবং নিরাপদ আস্তানা।
নবাগত পুলিশ কমিশনার যোগদান করার পর জুয়া, মাদক, ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ও কদমতলী ফাঁড়ি পুলিশের দুটি টিম ডেবিল জুয়ারী অন্তরকে আটক করতে অভিযান চালায়, এসময় অন্তরের জুয়ার আস্তানা থেকে ৩জনকে আটক করলেও অন্তরকে পায়নি। পরে অন্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন কিশোর গ্যাংকের সদস্যরা পুলিশের কাছ থেকে জুয়ারীদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও সফল হতে পারেনি। মেতর পট্টি ভার্থখলা মসজিদের পেছনে শরীফ মিয়ার কলোনি মাদক ও তীর শিলং জুয়া জান্ডু মন্ডল গাজা ইয়াবা বিক্রি হয় ও কিশোর গ্যাংয়ের ভয়ংকর এবং নিরাপদ আস্তানা।
সাদুর বাজার বাঁশপালা মার্কেট সুরমা মহাল কাশেমের স্পট
Reporter Name 























