
সিলেট বিভাগীয় ব্যুরোঃ সিলেট সিটি করপোরেশনের এসেসমেন্ট ও কর আদায় শাখার দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা এখনো স্বপদে বহাল। এসেসমেন্ট শাখার প্রধান এসেসর মো. আব্দুল বাছিত, এসেসর আকতার সিদ্দিকী বাবলু, এসেসর কবির উদ্দিন চৌধুরী, সহকারী কর কর্মকর্তা মো. মাহবুব আলম সিন্ডিকেট করে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ইতিমধ্যে অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। সিলেট সিটি করপোরেশনের সচিব আশিক নূরের নেতৃত্বে গত ৪ জুলাই পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও অদ্যাবদী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি। এসব দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মানব বন্ধন হলেও সিটি কর্পোরেশন কতৃপক্ষের টনক নড়েনি। শোনা যায় সিটি করপোরেশনের সচিবের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি সচিবের কার্যালয়ে বসে দায়সারা তদন্ত সম্পন্ন করেছেন। তদন্ত কমিটির এক সদস্য তাদের দূর্নীতির পৃষ্ঠপোষক। এছাড়াও তদন্ত কমিটি যাতে সঠিক দ্বায়িত্ব পালন করতে না পারে সেজন্য তারা বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তার করছে। সেজন্য তদন্ত কমিটি দায়সারা তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদনে তৎপর রয়েছে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারকেএসব দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন তদন্ত কমিটি এখন পর্যন্ত কোনো রির্পোট জমা দেয়নি। দশ কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দাখিল করার কথা থাকলেও এখনো রিপোর্ট হয়নি এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা কমিটির বিষয় তারা কখন প্রতিবেদন দাখিল করবে। তিনি এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি প্রধান ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সচিব আশিক নূরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলেন। তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ে জানতে আশিক নূর এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান এসেসর মো. আব্দুল বাছিত, এসেসর আকতার সিদ্দিকী বাবলু, এসেসর কবির উদ্দিন চৌধুরী ও সহকারী কর কর্মকর্তা মাহবুব আলম স
স্বল্প বেতনে চাকরি করলেও অল্প সময়ের ভিতরে তাদের বিপুল বিত্ত ভৈবব নগরবাসীকে বিস্মিত করেছে। নগরীতে তাদের বিশাল ভূসম্পত্তি, বহুতল ভবনের চাক্ষুষ প্রমাণ থাকা স্বত্বেও সিলেট সিটি কর্পোরেশন কতৃপক্ষের নিরবতা সবাইকে বিস্মিত করেছে।
এছাড়াও আব্দুল বাছিত ও আকতার সিদ্দিকী বাবলু সম্পর্কে পরষ্পর শ্যালক বোনজামাই এবং বাছিতের আপন ভাতিজা একই শাখায় চাকরি করছে জেনেও তাদের বদলি করা হয়নি। একই শাখায় এসব দূর্নীতিবাজদের পরিবারতন্ত্র ও এলাকাতন্ত্র বহাল রেখে এদেরকে দূর্নীতি করতে সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন। সচেতন মহল এদের খুটির জোর কোথায় তা নিয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন।
Reporter Name 























