
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শীর্ষ মাদক কারবারি ও চিহ্নিত চোর-ডাকাত দলের অন্যতম সদস্য মোঃ বাছেদ (২২) কে ছয় কেজি গাঁজা সহ গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কার্যালয় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। জানা যায়, সোমবার (১৩ এপ্রিল) ১২ ঘটিকার সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ব্রাহ্মণবাড়িয়া কর্তৃক মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ছয় কেজি সহ মোঃ বাছেদ কে গ্রেফতার করা হয়। জেলার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের ফুলতলী মোড়স্থ সুভাষের মালিকানাধীন সেলুন দোকানের সামনে চম্পকনগর বাজার হতে চান্দুরাগামী রাস্তার উপর থেকে বাছেদ কে ছয় কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত বাছেদ বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সেজামোড়া গ্রামের বাছির মেম্বারের বাড়ির মৃত পন্ডিত মিয়ার ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামী বাছেদ এর বিরুদ্ধে সহকারী উপপরিদর্শক জনাব রবিউল হাসনাত বাদী হয়ে বিজয়নগর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করেছেন বলে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানান।
উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত বাছেদ সহ ৮-১০ জন উপজেলার শীর্ষ মাদককারবারি ও চোর-ডাকাত দলের চিহ্নিত সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ গাঁজা ও ইয়াবা ব্যবসা করে আসছে। গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে মধ্যরাতে বাছেদ ও তার তিন সহযোগী আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন গেইটের সামনে থেকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী যাত্রী বেশে বিজয়নগরের উদ্দেশ্যে অটোরিকশা যোগে রওয়ানা হয়। পথিমধ্যে বিজয়নগর উপজেলার সেজামোড়া এলাকায় তাদের দলের আরও ৪-৫ জন ডাকাত বাছেদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে সড়কের ওপর গাছ ফেলে অটোরিকশাটির পথরোধ করে। অটোরিকশার চালক আখাউড়া উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের আমোদাবাদ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে আলমগীর হোসেম উরফে হোসেন মিয়া কে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এই ঘটনার কিছুদিন পর বাছেদ চোর কে স্থানীয় জনতা আটক করলে বাছেদ অটোরিকশা চুরির ঘটনার দায় স্বীকার করে বক্তব্য দেয় এবং তার সহযোগীদের নাম প্রকাশ করার পাশাপাশি মাদক ব্যবসার কথাও স্বীকার করেন। তারপর স্থানীয় জনতা বাছেদ কে বিজয়নগর থানায় সোপর্দ করলে পুলিশ মামলা দিয়ে তাকে জেলে পাঠায়। ওই ঘটনার বিচার চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার এক বছর পরও থানা পুলিশ ও প্রশাসন বাছেদ গংদের আটক করতে পারেনি এবং অটোরিকশাটি উদ্ধার করতে কোনো অভিযান পরিচালনা করেনি।
Reporter Name 






















