
মোহাইমিনুল ইসলামঃ
• বিস্তারিত জেনে নিন জোনায়েদ হাসান ভাই সম্পর্কে
১. ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকায় জন্ম হওয়ার সুবাধে বাল্যকাল থেকে এই এলাকায় বড় হয়েছেন, পড়াশোনা করেছেন অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ শাখা শিবিরের সভাপতি থাকাবস্থায় ছাত্রসংসদ নির্বাচনে তিনি ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে ভিপি পদে নির্বাচন করেন।
২. পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামি ইতিহাস বিভাগে পড়াশোনা করেন। ইসলামী ছাত্রশিবিরের জহুরুল হক হল শাখার সভাপতি থাকাবস্থায় তিনি জহুরুল হক হল ছাত্রসংসদে ভিপি পদে নির্বাচন করেন।
৩. তৎকালীন ঢাবি শিবিরের এই হেভিওয়েট নেতা ৯০-এর স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে অন্যতম সংগঠক ছিলেন। এ সময় তিনি অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে অনেকদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।
৪. ছাত্রজীবন-পরবর্তী সময়ে তিনি এ মোনেম কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।
৫. পরবর্তীতে তিনি কানাডা গমন করেন। কানাডায় অবস্থানকালে ‘মুসলিম সার্কেল অব কানাডা’-এর সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। এ ছাড়াও টরেন্টোর ‘ডেনফোর্থ ইসলামিক সেন্টার’-এর সভাপতি ছিলেন।
৬. কানাডা থেকে ফেরত এসে তিনি ব্যবসায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন এবং পূর্ণকালীন রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।
৭. ২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন।
৮. দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে একাধিকবার কারাবরণ করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের সময় তিনি ১৯ জুলাই গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন।
তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ছিল কণ্টকাকীর্ণ, ছিলেন নিজ কর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল। এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে ছুটে গিয়েছেন বারবার। জামায়াতের মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হওয়ার পর থেকে প্রত্যেকটা গ্রামে গ্রামে ছুটে গিয়েছেন একাধিকবার, করেছেন উঠান বৈঠক এবং গণসংযোগ। জনতার সঙ্গে কথা বলে শুনেছেন তাদের সুখ-দুঃখের গল্প। নির্বাচিত হলে কী কী করবেন, সে সম্পর্কে জানিয়ে জনতার কাছে তিনি ওয়াদা করে এসেছেন। এজন্য ইশতেহার তৈরি করে তিনি একাধিক ভিডিও বার্তা প্রদান করেছেন, যা অনলাইনে এখনো মওজুদ। জনতার দ্বারে দ্বারে যাওয়া এই প্রার্থী ভিন্ন অন্য কেউ প্রার্থী হওয়া মানে তার এই দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রম বৃথা যাওয়া। যারা তাকে ভোট দেওয়ার নিয়ত করেছেন, অন্য অপরিচিত ব্যক্তিদের প্রার্থী করলে তাদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হবে।
সবশেষে বলতে চাই, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে জোনায়েদ হাসান ভাইয়ের কোনো বিকল্প নাই।
Reporter Name 
























